ডোমকল: রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। মালদহ থেকে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে মুর্শিদাবাদ, সর্বত্রই তুঙ্গে তৎপরতা। ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ। এদিকে ডোমকলে আবার এদিন শুরুতেই ভোটকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার ছবি দেখা গেল। ভোটের ট্রেনিং থেকে শুরু করে ভোট পরিচালনার জন্য তাঁরা যে টাকা পান তা ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। প্রাপ্য টাকা না পেয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা গেল একের পর এক ভোট কর্মীকে। তাঁদের অনেকের অ্য়াকাউন্টেই টাকা ঢুকছে না বলে দাবি করা হয়েছে।
তীব্র ক্ষোভের সঙ্গেই এক ভোটকর্মী বললেন, “আমরা তো ভোটে যাব, কিন্তু এনারা টাকা দিতে পারছেন না।” পাশ থেকে আর একজন বললেন, নদিয়ার সবার টাকা কম ঢুকেছে। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আর একজন বললেন, “আমাদের ১৯৪০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু ১৩০০ টাকার কাছাকাছি ঢুকেছে। বাকি টাকা দেবে বলছে। কিন্তু অনেক্ষণ বসে টাকার পরেও টাকা ঢোকেনি। দু ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিলাম।” আর এক মহিলা ভোট কর্মী বললেন, “গরমের মধ্যে তিন ঘণ্টার বেশি সময় দাঁড়িয়ে রয়েছি। কিন্তু এখনও টাকা ঢোকেনি। বলছে টাকা নাকি ফুরিয়ে গিয়েছে।”
অন্যদিকে এদিনই আবার দুর্গাপুরে বিএলআরও-দের বিক্ষোভের ছবি দেখা যায়। অভিযোগ নোটিস পাঠিয়ে বিএলআরও-দের ডাকা হয়েছে। আসার পর বলা হচ্ছে কোনও কাজ নেই। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে। ব্য়াপক উত্তেজনার ছবি দেখা যায় দুর্গাপুরের ডিসিআরসি কেন্দ্রে। তীব্র ক্ষোভের সুরেই একজন বললেন, “আমরা ৬ মাস ধরে এসআইআর-এর কাজ করছি। হঠাৎ কাল ডেকে বলছে ২টোর সময় ডিসিআরসি কেন্দ্রে আসবেন। আসার পর বলছে কেন এসেছেন?”
ডোমকল: রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। মালদহ থেকে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে মুর্শিদাবাদ, সর্বত্রই তুঙ্গে তৎপরতা। ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ। এদিকে ডোমকলে আবার এদিন শুরুতেই ভোটকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার ছবি দেখা গেল। ভোটের ট্রেনিং থেকে শুরু করে ভোট পরিচালনার জন্য তাঁরা যে টাকা পান তা ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। প্রাপ্য টাকা না পেয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা গেল একের পর এক ভোট কর্মীকে। তাঁদের অনেকের অ্য়াকাউন্টেই টাকা ঢুকছে না বলে দাবি করা হয়েছে।
তীব্র ক্ষোভের সঙ্গেই এক ভোটকর্মী বললেন, “আমরা তো ভোটে যাব, কিন্তু এনারা টাকা দিতে পারছেন না।” পাশ থেকে আর একজন বললেন, নদিয়ার সবার টাকা কম ঢুকেছে। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আর একজন বললেন, “আমাদের ১৯৪০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু ১৩০০ টাকার কাছাকাছি ঢুকেছে। বাকি টাকা দেবে বলছে। কিন্তু অনেক্ষণ বসে টাকার পরেও টাকা ঢোকেনি। দু ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিলাম।” আর এক মহিলা ভোট কর্মী বললেন, “গরমের মধ্যে তিন ঘণ্টার বেশি সময় দাঁড়িয়ে রয়েছি। কিন্তু এখনও টাকা ঢোকেনি। বলছে টাকা নাকি ফুরিয়ে গিয়েছে।”
অন্যদিকে এদিনই আবার দুর্গাপুরে বিএলআরও-দের বিক্ষোভের ছবি দেখা যায়। অভিযোগ নোটিস পাঠিয়ে বিএলআরও-দের ডাকা হয়েছে। আসার পর বলা হচ্ছে কোনও কাজ নেই। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে। ব্য়াপক উত্তেজনার ছবি দেখা যায় দুর্গাপুরের ডিসিআরসি কেন্দ্রে। তীব্র ক্ষোভের সুরেই একজন বললেন, “আমরা ৬ মাস ধরে এসআইআর-এর কাজ করছি। হঠাৎ কাল ডেকে বলছে ২টোর সময় ডিসিআরসি কেন্দ্রে আসবেন। আসার পর বলছে কেন এসেছেন?”