Lalbagh Election Training Chaos: হেনস্থার অভিযোগ! নির্বাচনী প্রশিক্ষণকে কেন্দ্রে পোলিং পার্সোনালদের বিক্ষোভ

Murshidabad polling personnel protest: অভিযোগ, এদিন সকাল ১০টা থেকে প্রশিক্ষণের সময় নির্ধারিত থাকলেও দুপুর গড়িয়ে গেলেও কোনও প্রশিক্ষক কেন্দ্রে পৌঁছননি। হাজার হাজার কর্মী লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও প্রশাসনের কোনও হেলদোল ছিল না বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের। এর মধ্যেই যুক্ত হয় ‘পোস্টাল ব্যালট’ বিভ্রাট।

Lalbagh Election Training Chaos: হেনস্থার অভিযোগ! নির্বাচনী প্রশিক্ষণকে কেন্দ্রে পোলিং পার্সোনালদের বিক্ষোভ
নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উত্তেজনাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Apr 16, 2026 | 3:38 PM

মুর্শিদাবাদ: নির্বাচনের মুখে মুর্শিদাবাদের লালবাগে নির্বাচনী প্রশিক্ষণকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। বৃহস্পতিবার লালবাগের একটি স্কুলে  প্রশিক্ষণ নিতে এসে চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হলেন পোলিং পার্সোনালরা। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও প্রশিক্ষকদের দেখা না মেলায় এবং ভোটদানের অব্যবস্থা দেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কয়েকশো সরকারি কর্মী।

অচলাবস্থার নেপথ্যে

অভিযোগ, এদিন সকাল ১০টা থেকে প্রশিক্ষণের সময় নির্ধারিত থাকলেও দুপুর গড়িয়ে গেলেও কোনও প্রশিক্ষক কেন্দ্রে পৌঁছননি। হাজার হাজার কর্মী লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও প্রশাসনের কোনও হেলদোল ছিল না বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের। এর মধ্যেই যুক্ত হয় ‘পোস্টাল ব্যালট’ বিভ্রাট। এদিনই পোলিং পার্সোনালদের ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, একটি মাত্র ঘরে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যার ঢোকা ও বেরোনোর পথও ছিল একটিই। ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

কর্মীদের ক্ষোভ

বিক্ষোভকারী কর্মীদের দাবি, “যাঁরা ভোট নিচ্ছেন, তাঁদের কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। একটি মাত্র কাউন্টারে এত সংখ্যক কর্মীর ভোট নেওয়া কার্যত অসম্ভব।” দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণে আরও কর্মীর আসার কথা থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ বোধ করেন অনেক প্রবীণ কর্মী। এই অব্যবস্থার প্রতিবাদে এবং দ্রুত ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবিতে তাঁরা স্কুলের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

প্রশাসনের তৎপরতা

পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন মহকুমা শাসক, লালবাগের এসডিপিও এবং মুর্শিদাবাদ থানার আইসি-সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তাঁরা বিক্ষুব্ধ কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে দ্রুত প্রশিক্ষক এনে এবং বুথের সংখ্যা বাড়িয়ে ভোটদান প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করা হবে। তবে নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ জেলার ভোটকর্মী মহল।

Follow Us