
মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদ ধুলিয়ানেও গান্ধী বিদ্যালয়ে বায়রন বিশ্বাসকে ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। রীতিমতো ফুঁসছেন সাগরদীঘি বিধানসভার বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস।
ভোটের ঠিক আগে আগে বায়রনকে বেসুরো শোনা গিয়েছিল। নিজের মুখেই স্বীকার করেছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। রাজনীতির ময়দানে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে নিজের গুরু বলেও স্বীকার করলেন। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বলেন,”আমি স্বার্থপর। আমি বিশ্বাসঘাতকতা করেছি। আমি বলব না যে বিশ্বাসঘাতকতা করিনি। কংগ্রেস থেকে টিকিট পেয়েছিলাম। আমার হাতেখড়ি অধীররঞ্জন চৌধুরীর হাতে। তাঁকে সারাজীবন মনে রাখব। উনি আমার গুরুদেব। ভগবানের পরে অধীর চৌধুরীর স্থান। দাদা বলে শ্রদ্ধা করি। উনি বড় হয়ে ছোট ভাইকে কিছু বলতে পারেন। কিন্তু আমার দুঃখ নেই।”
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে ধুলিয়ানে নিজের বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন বায়রন বিশ্বাস। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে পাঁচবার তল্লাশি করেন। বায়রনের দাবি, মোট পাঁচবার তার তল্লাশি করা হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি শেষ পর্যন্ত ভোট না দিয়েই ভোটকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যান।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বায়রন বিশ্বাস বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। আসলে সামশেরগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নূর আলমকে আমাকে হারাতে চাইছে। তাই এইভাবে হয়রানি করা হয়েছে।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।