AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR: তালিকা দেখে এসে স্নান খাওয়া সেরে ঘরে ঢোকেন… কিন্তু তার মাঝেই যে এসব করে ফেলেছেন কে জানত! স্তম্ভিত পরিবার

SIR In WB: শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বাবলু হালদার দেখতে পান যে, তাঁর নাম সহ তার দুই ছেলের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরিবারের দাবি, সেই মানসিক চাপ থেকেই তিনি কীটনাশক পান করেন। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বেনিয়াগ্রাম গ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান।

SIR: তালিকা দেখে এসে স্নান খাওয়া সেরে ঘরে ঢোকেন... কিন্তু তার মাঝেই যে এসব করে ফেলেছেন কে জানত! স্তম্ভিত পরিবার
নিহতের পরিবারের সদস্যরাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 02, 2026 | 2:43 PM
Share

মুর্শিদাবাদ:  নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত SIR–এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ‘বিচারাধীন’! এলাকার জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে সেই তালিকা দেখেও এসেছিলেন। তারপর ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। বাড়ির লোকও সেভাবে আর তাঁকে বিরক্ত করেননি। কিন্তু তিনি যে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তা ভাবতেও পারছেন না কেউ। মানসিক চাপে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকে বিন্দুগ্রাম এলাকার বাসিন্দা বাবলু হালদার (৬০)। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বাবলু হালদার দেখতে পান যে, তাঁর নাম সহ তার দুই ছেলের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি গভীরভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরিবারের দাবি, সেই মানসিক চাপ থেকেই তিনি কীটনাশক পান করেন। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বেনিয়াগ্রাম গ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান।

সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা দ্রুত তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের সংশয় কাটছে না। এই ৬০ লক্ষ ভোটার বিচারাধীন। তবে এর নেপথ্যে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি তত্ত্ব খাড়া করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “খসড়া তালিকায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গেল। গতকাল ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে আরও সাড়ে পাঁচ লক্ষ বাদ গেল। ৬০ লক্ষ এখনও বিবেচনাধীন। মোট সংখ্য়াটা ১ কোটি ২৪ লক্ষ। টার্গেট অনেক আগে সেট করে দেওয়া হয়েছে। এই অপদার্থগুলো (বিজেপি) ২০০ টার্গেট পার করতে পারে না, তাই গরিব মানুষকে নির্যাতন করে।”