TMC: তৃণমূলের ‘গোষ্ঠীকোন্দলে’ রক্তাক্ত কৃষ্ণনগর পৌরসভা, বকেয়া চাইতে গিয়ে মাথা ফাটল প্রাক্তন পুরকর্মীদের, জখম কাউন্সিলর
TMC: অভিযোগ, আন্দোলন চলাকালীন সময়েই পুরসভার মধ্যে বেশ কিছু লোক ঢুকে যায়। আন্দোলনকারীদের উপর চড়াও হয়। ব্যাপক মারধর করা হয়। বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারা হয়। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন প্রাক্তন পুরকর্মীর মাথাও ফেটেছে।

কৃষ্ণনগর: ফের শাসকদলের অন্দরে গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ। রক্তাক্ত কৃষ্ণনগর পৌরসভা। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের আন্দোলনে ধুন্ধুমার। মারধরের অভিযোগ। মাথা ফাটল বেশ কয়েকজনের। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাঁদের অনেক টাকাই বকেয়া রয়েছে। যা নিয়ে চাপানউতোর চলছিল দীর্ঘদিন থেকে। মাঝেমধ্যেই প্রাপ্য টাকার দাবিতে আন্দোলনও করতে দেখা যায়। যদিও শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয় না বলে অভিযোগ। এদিনও ফের আন্দোলন শুরু করেন প্রাক্তন পুরকর্মীরা। বকেয়া দাবি আদায়ের জন্য এদিন কৃষ্ণনগর পৌরসভায় ডেপুটেশন কর্মসূচি ছিল অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের। পৌরসভা চত্বরে বিক্ষোভ দেখানোর সময়েই সময় চেয়ারম্যানের অনুগামীরা তাঁদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, আন্দোলন চলাকালীন সময়েই পৌরসভার মধ্যে বেশ কিছু লোক ঢুকে যায়। আন্দোলনকারীদের উপর চড়াও হয়। ব্যাপক মারধর করা হয়। বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারা হয়। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন প্রাক্তন পুরকর্মীর মাথাও ফেটেছে। আরও বেশ কয়েকজন মারাত্মকভাবে জখমও হয়েছেন। জখম হয়েছেন এক কাউন্সিলর, গুরুতর জখম তিনজন। তাঁদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। খবরে পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
পৌরসভার চেয়ারম্যান রীতা দাস বলছেন, মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু, তার মধ্যেই আন্দোলন শুরু করে দেয়। চেয়ারম্যানের অভিযোগ দলীয় কাউন্সিলরদের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে শাসকদলের অন্দরেই। চাপানউতোর জেলার রাজনৈতিক মহলে।
