Primary School In Nadia: স্কুলের মধ্যে রক্তাক্ত ছাত্র! আগেই ছুটি দিয়ে বাড়ি গেলেন প্রধান শিক্ষক! বিতর্ক
School Negligence in Nadia: শুক্রবার বেলা এগারোটা নাগাদ পঠন-পাঠন চলাকালীন আচমকাই পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পায় ওই ছাত্রটি। তাঁর চোখের পাশ ফেটে রক্তপাত শুরু হয়। অভিযোগ, আহত ছাত্রটিকে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু করাননি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। এমনকি তার পরিবারের লোককেও খবর দেওয়া হয়নি।

নদিয়া: স্কুলের গাফিলতিতে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরল প্রথম শ্রেণির এক খুদে পড়ুয়া। আহত ছাত্রকে চিকিৎসা না করিয়ে বা বাড়িতে খবর না দিয়ে উল্টো সময়ের আগে স্কুল ছুটি দিয়ে প্রধান শিক্ষিকার চলে যাওয়ার অভিযোগ। নদিয়ার ২ নম্বর চকের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বেলা এগারোটা নাগাদ পঠন-পাঠন চলাকালীন আচমকাই পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পায় ওই ছাত্রটি। তাঁর চোখের পাশ ফেটে রক্তপাত শুরু হয়। অভিযোগ, আহত ছাত্রটিকে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু করাননি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। এমনকি তার পরিবারের লোককেও খবর দেওয়া হয়নি। উল্টে দুপুর একটার আগেই তড়িঘড়ি স্কুল ছুটি দিয়ে তিনি নিজে স্কুল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ।
অভিভাবকদের ক্ষোভ
স্কুল ছুটির পর শিশুটি একাই রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি ফেরে। তার মুখ ও পোশাক রক্তে ভেজা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিজনেরা। বাড়িতে আসার পরেও তাঁর চোখের পাশ থেকে রক্ত ঝরছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
অভিভাবকরা প্রশ্ন তুলেছেন, শিশুটি আহত হওয়ার পর কেন তার পরিবারকে জানানো হল না? কোন পরিস্থিতিতে স্কুল নির্দিষ্ট সময়ের আগে ছুটি দিয়ে শিক্ষিকা চলে গেলেন?
বর্তমান পরিস্থিতি
এই অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যেই স্কুল পরিদর্শকের কাছে ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ছাত্রটির পরিবার। অবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বদলির দাবি তুলে সরব হয়েছেন অভিভাবকেরা। তাঁদের দাবি, যেখানে শিশুদের নিরাপত্তা নেই, সেখানে পঠন-পাঠন চালানো সম্ভব নয়। স্কুল পরিদর্শক বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
