কলকাতা: ঠিক কীভাবে খুন করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে, ইতিমধ্যেই তার একটি ফুটেজ হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। জানা যাচ্ছে, মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় গুলি করা হয় চন্দ্রনাথকে। মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, সে সময়েই তাঁকে গুলি করা হয় বলে জানা গিয়েছে। চন্দ্রনাথের আসল বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের কুলুপ গ্রামে। কিন্তু কাজের সূত্রে তিনি বারাসতে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
মধ্যমগ্রামে ঠিক কোনও কাজে বেরিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ? সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, নতুন কোনও কাজের দায়িত্ব পেয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। আর সেই দায়িত্ব বুঝে নিতেই গিয়েছিলেন তিনি। শুভেন্দুর যাবতীয় কাজকর্ম করতেন চন্দ্রনাথ। কলকাতার দিকের কাজও তিনিই সামলাতেন।
চন্দ্রনাথকে যে রেকি করে ছক কষে খুন করা হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট। যশোহর রোড থেকে মুজিবর রহমান রোড হয়ে ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ। চন্দ্রনাথের গাড়ির অভিমুখ ছিল তাঁর ফ্ল্যাটের দিকে।
গাড়িটি একটি প্যাকেজিং প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার গেটের কাছে পৌঁছতেই, বিপরীত দিক থেকে মুখোমুখি এসে রাস্তা আটকায় আরেকটা চার চাকা গাড়ি। সরু রাস্তায় পরিকল্পনা করেই চন্দ্রনাথের গাড়ির পথ বন্ধ করা হয়, যাতে স্করপিও গতি বাড়িয়ে যেতে না পারে। সেই সময় গাড়িতে থাকা আততায়ীরা চন্দ্রনাথের গাড়ির কাচে ঠেকিয়ে গুলি চালায়। গুলি করার পর অলিগলি দিয়ে মোটরবাইক চলে যায় বাদু রোডের দিকে। সিসিটিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। অপরাধীদের শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে।
কলকাতা: ঠিক কীভাবে খুন করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে, ইতিমধ্যেই তার একটি ফুটেজ হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। জানা যাচ্ছে, মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় গুলি করা হয় চন্দ্রনাথকে। মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, সে সময়েই তাঁকে গুলি করা হয় বলে জানা গিয়েছে। চন্দ্রনাথের আসল বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের কুলুপ গ্রামে। কিন্তু কাজের সূত্রে তিনি বারাসতে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
মধ্যমগ্রামে ঠিক কোনও কাজে বেরিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ? সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, নতুন কোনও কাজের দায়িত্ব পেয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। আর সেই দায়িত্ব বুঝে নিতেই গিয়েছিলেন তিনি। শুভেন্দুর যাবতীয় কাজকর্ম করতেন চন্দ্রনাথ। কলকাতার দিকের কাজও তিনিই সামলাতেন।
চন্দ্রনাথকে যে রেকি করে ছক কষে খুন করা হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট। যশোহর রোড থেকে মুজিবর রহমান রোড হয়ে ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ। চন্দ্রনাথের গাড়ির অভিমুখ ছিল তাঁর ফ্ল্যাটের দিকে।
গাড়িটি একটি প্যাকেজিং প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার গেটের কাছে পৌঁছতেই, বিপরীত দিক থেকে মুখোমুখি এসে রাস্তা আটকায় আরেকটা চার চাকা গাড়ি। সরু রাস্তায় পরিকল্পনা করেই চন্দ্রনাথের গাড়ির পথ বন্ধ করা হয়, যাতে স্করপিও গতি বাড়িয়ে যেতে না পারে। সেই সময় গাড়িতে থাকা আততায়ীরা চন্দ্রনাথের গাড়ির কাচে ঠেকিয়ে গুলি চালায়। গুলি করার পর অলিগলি দিয়ে মোটরবাইক চলে যায় বাদু রোডের দিকে। সিসিটিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। অপরাধীদের শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে।