AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Chandranath Rath final words: ‘সিটে চাপ চাপ রক্ত, তখনও ধুক ধুক করছিলেন, কাছে যেতেই বললেন…’, চন্দ্রনাথকে শেষ জীবিত অবস্থায় দেখেছিলেন… কী বলেছিলেন তিনি?

Chandranath Rath Eyewitness: মাঝবয়সী ওই প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, "আমি ১০-১০.২০র মধ্যে বাচ্চা কুকুরগুলোকে খেতে দিচ্ছিলাম। সে সময়ে একজন চিৎকার করতে করতে যাচ্ছিল, গুলি মেরে দিল... আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কাকে গুলি মেরে দিল! বলছে ওই দেখো গুলি মেরে দিল, গাড়ির মধ্যে পড়ে রয়েছে। দেখলাম গাড়ির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে রয়েছে।"

Chandranath Rath final words: 'সিটে চাপ চাপ রক্ত, তখনও ধুক ধুক করছিলেন, কাছে যেতেই বললেন...', চন্দ্রনাথকে শেষ জীবিত অবস্থায় দেখেছিলেন... কী বলেছিলেন তিনি?
চন্দ্রনাথকে শেষ জীবিত দেখেছিলেন এই ব্যক্তি!Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 07, 2026 | 11:30 AM
Share

মধ্যমগ্রাম: ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০.২০!  তিনি রোজকার মতো কুকুরদের খাওয়াতে এসেছিলেন। তখন রাস্তা দিয়ে কয়েকজনকে দৌড়তে দেখেন। তাঁরা চিৎকার করতে থাকেন, ‘গুলি করে দিয়েছে…’ তখনও ঠাওর করতে পারেননি ঠিক কী হয়েছে! যতক্ষণে সেই অভিশপ্ত স্করপিওর কাছে যান, তখনও চন্দ্রনাথের শরীরে ধুক ধুক করছে প্রাণ! জীবিত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে তিনিই শেষ দেখেছিলেন, কী বলেছিলেন চন্দ্রনাথ? TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভা সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রত্যক্ষদর্শী।

সুশান্ত সরকার নামে মাঝবয়সী ওই প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, “আমি ১০-১০.২০র মধ্যে বাচ্চা কুকুরগুলোকে খেতে দিচ্ছিলাম। সে সময়ে একজন চিৎকার করতে করতে যাচ্ছিল, গুলি মেরে দিল… আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কাকে গুলি মেরে দিল? বলছে ওই দেখো গুলি মেরে দিল, গাড়ির মধ্যে পড়ে রয়েছে। দেখলাম গাড়ির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে রয়েছে।”

তাঁর কথায়, স্করপিওর সামনে গার্ড করা ছিল আরেকটা ফোর হুইলার। তিনি বলেন, “স্করপিওতে কাচ তোলা, কিন্তু কাচগুলো গুলির দাগ, ভাঙা। দরজাটা একজন খুলে দিল। গাড়ি পুরো রক্তে ভাসছে। গাড়ির ভিতর থেকেই একজন বলল, স্যরকে গুলি মেরে দিয়েছে! তুললাম যখন, তখন দুজনেই জীবিত ছিলেন। কিছু বলার চেষ্টা করছিলেন। শ্বাস পড়ছিল। আমি তখন তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বললাম। আমি ফোন করলাম থানায়।”

তাঁর দাবি, “ওই গাড়ি নিয়েই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমার সামনে তিনটে খোল পড়েছিল গুলির। গাড়ির সামনে একটা অল্টো দাঁড়ানো ছিল। নম্বরবিহীন।” জানা যাচ্ছে, সরু গলির মধ্যে ওই গাড়ি এসেই চন্দ্রনাথের স্করপিও আটকায়। যাতে চালক গতি না বাড়াতে পারেন। তারপরই বাইকে এসে দুষ্কৃতীরা একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। এলোপাথাড়ি গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান চন্দ্রনাথ।

চন্দ্রনাথের খুন নিয়ে এখন বিস্তর ধোঁয়াশা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালেও CID তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। সে নম্বরবিহীন চার চাকা গাড়ির কথা প্রত্যক্ষদর্শী বলেছিলেন, সেটি যে আসলে চুরির গাড়ি, তা ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট।

Follow Us