Hingalganj: ‘আমায় যেন আসতে না হয়’, নার্স ও তাঁর শিশুকন্যার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তদন্তকারী অফিসারকে ফোন মন্ত্রীর, যা বললেন…
Hingalganj Nurse Death Case: জুন মাসের ২৩ তারিখে হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা পেশায় নার্স শুভ্র সাহা ও তাঁর শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। শ্বশুরবাড়িতে শ্বশুরের শ্রাদ্ধের কাজে গিয়ে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয় তাদের। শুভ্রা সাহার বাপের বাড়ি নদিয়ার হরিণঘাটা এলাকায় । পরিবার তরফ থেকে খুনের অভিযোগ তোলা হয় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।

উত্তর ২৪ পরগনা: হিঙ্গলগঞ্জে নার্স ও তার শিশু কন্যার মৃতদেহ উদ্ধার। খুনের অভিযোগ পরিবারের। কিন্তু থানায় অভিযোগ দায়েরের পরও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবার সরাসরি মন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবার। মন্ত্রীর কাছে গোটা বিষয়টি খুলে বলতেই তদন্তকারী অফিসারকে ফোন। রীতিমতো ধমক দিলেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া।
জানা যাচ্ছে, জুন মাসের ২৩ তারিখে হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা পেশায় নার্স শুভ্র সাহা ও তাঁর শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। শ্বশুরবাড়িতে শ্বশুরের শ্রাদ্ধের কাজে গিয়ে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয় তাদের। শুভ্রা সাহার বাপের বাড়ি নদিয়ার হরিণঘাটা এলাকায় । পরিবার তরফ থেকে খুনের অভিযোগ তোলা হয় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। তাদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে এই অভিযোগ তুলে রবিবার রাজ্যর খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার দ্বারস্থ হলেন ওই নার্স এর পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে আগে থেকেই বিভিন্নভাবে টর্চার করা হতো। মেয়ে মানসিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী হলেও তাদের জামাইয়ের দুই বোন ভীষণ অত্যাচার করত। ১৩ তারিখে শ্বশুরের শেষকৃত্যের কাজে গেলে তাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছে তাঁরা। তারা চাইছেন মন্ত্রী তাদের পাশে থেকে তারা যেতে বিচার পায় তার ব্যবস্থা করুক।
মৃতার পরিবারকে সামনে রেখেই এই মামলার তদন্তকারী অফিসারকে ফোন করেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। রীতিমতো অফিসারকে ধমক দেন তিনি। মৃতার পরিবারের সাথে এমন দুর্ব্যবহার কেন করা হয়েছে তার কৈফিয়তও চান। সঠিক তদন্ত করে দোষীদের ফাঁসির বন্দোবস্ত করার কথাও বলেন অশোক কীর্তনীয়া। তদন্তকারী অফিসারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমার হিঙ্গলগঞ্জ থানায় আসতে হলে ভালো হবে না।
পরবর্তীতে অশোক কীর্তনীয়া হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসির সাথে ফোনালাপ করেন। জোর করে মৃতার মা বাবার কাছ থেকে বয়ান লিখিয়ে কেন নেয়া হয়েছে তার জবাবদিহি চান। ওসিকে বলেন, মৃতার মা-বাবা এবং তার উকিল যেভাবে কেস করতে বলবে তাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই আগের মামলার সাথে এফআইআর ট্যাগ করে তদন্ত শুরু করতে হবে।
