Sandeshkhali: ‘দিদিকে আমরা প্রথম থেকে চেয়েছি, এখনও…’, সন্দেশখালিতে গিয়ে মহিলাদের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ সুজিত-পার্থ
Sandeshkhali: একটি বেঞ্চে বসেছিলেন দুই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সুজিত বসু। সামনে একদল মহিলা বসে, মুখ ঢাকা। অভিযোগ শুনতে বসে প্রথমেই এক মহিলার মুখ থেকে মন্ত্রীদের শুনতে হয়, "পার্টির উপর কোনও ক্ষোভ নেই। যেসব ব্যক্তির উপর ভরসা আস্থা নেই, তাঁদের সরিয়ে দিন না।" পার্থ ভৌমিক নীচু স্বরেই বলেন, "সরিয়ে দিয়েছি।" সুজিত বলেন, "দল থেকে সরিয়ে দিয়েছি পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছি।"

সন্দেশখালি: মানুষের দুর্দশার কথা শুনতে গিয়েছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী। সন্দেশখালিতে ক্ষোভের হদিশ পেতে গিয়ে শনিবার পার্থ ভৌমিক ও সুজিত বসুকে চরম বিব্রত হতে হল। দিনভর সন্দেশখালির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়িয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুজিত বসু এবং পার্থ ভৌমিক। জমি লুট এবং টাকা কেড়ে নেওয়া সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ তাঁদের কাছে সাধারণ মানুষ করেছিলেন। এরপর সন্ধ্যায় ত্রিমোহিনী বাজার সংলগ্ন এলাকায় আক্রান্ত এবং নির্যাতনের অভিযোগ তোলা মহিলাদের সঙ্গে কথা বলতে যান দুই মন্ত্রী। আর সেখানেই মহিলাদের একের পর এক প্রশ্নের মুখে বিব্রত হতে হয় তাঁদের।
একটি বেঞ্চে বসেছিলেন দুই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সুজিত বসু। সামনে একদল মহিলা বসে, মুখ ঢাকা। অভিযোগ শুনতে বসে প্রথমেই এক মহিলার মুখ থেকে মন্ত্রীদের শুনতে হয়, “পার্টির উপর কোনও ক্ষোভ নেই। যেসব ব্যক্তির উপর ভরসা আস্থা নেই, তাঁদের সরিয়ে দিন না।” পার্থ ভৌমিক নীচু স্বরেই বলেন, “সরিয়ে দিয়েছি।” সুজিত বলেন, “দল থেকে সরিয়ে দিয়েছি পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছি।”
এরপরই আরেক মহিলা বলেন, “হিন্দি বললেই যদি সে বহিরাগত হয়ে যায়, আমরা তো দিদিকে বলছি, আপনি সামনে এসে দাঁড়ান। আমরা বহিরাগত কি না তা আপনাকে দেখাব। আমাদের পরিচয় নিয়েই আপনার সামনে দাঁড়াব। দিদিকে আমরা প্রথম থেকে পেতে চেয়েছি। এখনও পর্যন্ত আমাদের সামনে এলেন না।”
একইসঙ্গে মহিলারা মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের রিকোয়েস্ট শাহজাহান শেখকেও বাইরে রাখবেন না। বারবার বলা হচ্ছে ওনার নামে কোনও কমপ্ল্যান হয়নি। সুকুমার মাহাতো বললেন। এটা কিন্তু ভুল কথা।”
