
বসিরহাট: তৃণমূল যখন ক্ষমতায় আসেনি, তখনই বসিরহাট দখলে এনেছিলেন তৃণমূলের হাজি নুরুল ইসলাম। বাম প্রার্থীকে হারিয়ে সাংসদ হয়েছিলেন ২০০৯ সালে। সেই পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর লোকসভায় টিকিট মেলেনি তাঁর। ১০ বছর পর আবার সেই নুরুলেই ভরসা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্দেশখালি যখন জ্বলছে, সেরকম একটা সময়ে বসিরহাট কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থী করার কিছু তাৎপর্য রয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কিন্তু সন্দেশখালিতে সেই পুরনো ভোট ব্যাঙ্ক কি আর পাওয়া সম্ভব হবে? কী বলছেন তৃণমূল প্রার্থী?
TV9 বাংলার মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, কয়েকটি এলাকার জন্য পুরো সন্দেশখালিকে নিয়ে সমালোচনা করা ঠিক হচ্ছে না। সন্দেশখালি যে ভোটে কোনও ফ্যাক্টরই হবে না, তেমনটাই মনে করেন তিনি। হাজি নুরুল ইসলাম জানান, সন্দেশখালি মানুষের কাছে গিয়ে ভুল-ত্রুটির কথা স্বীকার করতে হবে।
নুরুল বলেন, “আমার বিশ্বাস সেখানে মানুষের কাছে গিয়ে ত্রুটি বিচ্যুতিগুলি স্বীকার করলে, মানুষ নিশ্চয় ভুলে গিয়ে মমতার উন্নয়নের সঙ্গে সুর মেলাবে।” তিনি আরও বলেন, “সন্দেশখালিতে হয়ত ৩টে বুথে গণ্ডগোল হয়েছে, জেলিয়াখালিতে চারটি ও বেড়মজুরে ২ টো বুথে ঝামেলা হয়েছে। তার জন্য পুরো সন্দেশখালির সমালোচনা করা ঠিক হবে না।” সন্দেশখালি থেকেই লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
বর্তমানে হাড়োয়া কেন্দ্রের বিধায়ক নুরুলের বিশ্বাস হাড়োয়া থেকে অন্তত ১ লক্ষ ভোট পাবেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১৯-এ নুসরত জাহানকে আমি হাড়োয়া থেকে ৯৬ হাজার ভোটে লিড দিয়েছিলাম। মিনাখাঁ থেকে ৫৬ হাজার, বসিরহাট উত্তর ৮৮ হাজার ভোট পেয়েছিলেন নুসরত। বিরাট মার্জিনে জিতেছিলাম আমরা। উন্নয়নকে সামনে রেখে ভোট চাইতে এবারও কোনও অসুবিধা হবে না বলেই মনে করেন তিনি।