Asansol: কয়লাখনিতে কর্মিসভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ
আসানসোল: আসানসোলে কয়লাখনিতে কর্মিসভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা। বৃহস্পতিবার আসানসোলের জামুড়িয়ার কুনুস্তোরিয়া কয়লাখনিতে একটি কর্মিসভাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। দু পক্ষই নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করে। অভিযোগ, ভারতীয় মজদুর মঞ্চ নামে একটি সংগঠন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী সহ একাধিক দলীয় নেতার ছবি ব্যবহার করে খনি শ্রমিকদের ওই সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘের(বিএমএস) নেতৃত্ব প্রতিবাদ জানাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি বেঁধে যায়। পরবর্তীতে সিআইএসএফ ও পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনা প্রসঙ্গে ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের জেলা সভাপতি শিবদাস বাউরি জানান, তাঁরা ভারত সরকারের সেন্ট্রাল ট্রেড ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে এই পিট মিটিং ছিল। তাঁরা মোদী সরকারের সমর্থনে ২০১৪ সাল থেকে শ্রমিকদের হাতে নিয়ে কাজ করছেন। অন্যদিকে, বিএমএস সম্পাদক রাজা সিং দাবি করেন যে, ভারতীয় মজদুর মঞ্চ বা বিজেপির কোনও আনুষ্ঠানিক ট্রেড ইউনিয়ন সেখানে নেই। পিট মিটিং এর নামে জোর পূর্বক চাণক বন্ধ রেখেছে। শ্রমিকদের জোর খাটানো হচ্ছে ওই কর্মিসভায় যাওয়ার। এই ঘটনার তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন। জামুরিয়া বিজেপির দাবি, এই ধরনের ঘটনায় বিজেপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক শোরগোল সৃষ্টি হয়।

আসানসোল: আসানসোলে কয়লাখনিতে কর্মিসভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা। বৃহস্পতিবার আসানসোলের জামুড়িয়ার কুনুস্তোরিয়া কয়লাখনিতে একটি কর্মিসভাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। দু পক্ষই নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করে।
অভিযোগ, ভারতীয় মজদুর মঞ্চ নামে একটি সংগঠন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী সহ একাধিক দলীয় নেতার ছবি ব্যবহার করে খনি শ্রমিকদের ওই সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘের(বিএমএস) নেতৃত্ব প্রতিবাদ জানাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি বেঁধে যায়। পরবর্তীতে সিআইএসএফ ও পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনা প্রসঙ্গে ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের জেলা সভাপতি শিবদাস বাউরি জানান, তাঁরা ভারত সরকারের সেন্ট্রাল ট্রেড ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে এই পিট মিটিং ছিল। তাঁরা মোদী সরকারের সমর্থনে ২০১৪ সাল থেকে শ্রমিকদের হাতে নিয়ে কাজ করছেন। অন্যদিকে, বিএমএস সম্পাদক রাজা সিং দাবি করেন যে, ভারতীয় মজদুর মঞ্চ বা বিজেপির কোনও আনুষ্ঠানিক ট্রেড ইউনিয়ন সেখানে নেই।
পিট মিটিং এর নামে জোর পূর্বক চাণক বন্ধ রেখেছে। শ্রমিকদের জোর খাটানো হচ্ছে ওই কর্মিসভায় যাওয়ার। এই ঘটনার তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন। জামুরিয়া বিজেপির দাবি, এই ধরনের ঘটনায় বিজেপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক শোরগোল সৃষ্টি হয়।
