
গড়বেতা: পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে তৃণমূল ও সিপিএম-কে একযোগে আক্রমণ করেছেন তিনি। এও বলেছেন, “এখন যাহাই তৃণমূল তাহাই সিপিএম।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সিপিএম একযোগে ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এক নজরে শুভেন্দু কী কী বলেছেন?
শুভেন্দু অধিকারী: ২০২৪ প্রণত টুডুকে বলে গিয়েছিলাম FIR-এর কপি পাঠাবেন। যাঁরা গ্রেফতার হয়নি প্রত্যেককে চুলের মুঠি ধরে ঢোকাতে হবে। আমাদের সব হিসাব নেওয়ার সময় এসেছে।
শুভেন্দু অধিকারী: ছটা বছর ধরে আমি এদের প্রত্যেকের সঙ্গে লড়েছি। নির্বাচনের আগে আমি পুরুলিয়া থেকে ফিরছি, তখন চন্দ্রকোনা রোডে আক্রান্ত হই। রোডে বসেছিলাম। কাউকে ভুলিনি। আমাদের যত নেতা রয়েছেন, যাঁরা লড়াই সংগ্রাম করেছেন তাঁদের সম্মান জানাই।
শুভেন্দু অধিকারী: আপনারা চোর তৃণমূলকে শূন্য করেছেন। গত কয়েকদিন আগে মহম্মদ সেলিম এত সাহস আপনি বলেছিল, বিজেপি এসেছিল সিপিএম-কে আক্রমণ করতে। জনগণ নাকি প্রতিরোধ করেছে। আমি আজ বলে গেলাম, ছোট আঙারিয়া থেকে শুরু করে ২০০৭ নন্দীগ্রামে আমাদের গড়বেতায় যে সিপিএম অফিস ছিল সেখান থেকে যাঁরা যাঁরা রক্তাক্ত সূর্যদয় ঘটাতে গিয়েছিল তাদের কেস রিওপেন করব। একটাকেও ছাড়া হবে না।
শুভেন্দু অধিকারী: আমি এর আগেও এদের জবাব দিয়েছি। তপন শুকুর বলেছিল, শুভেন্দু অধিকারী ঢুকলে পা ভাঙব। আমি তিনদিনের মধ্যে এসে সুকান্ত ঘোষের বুকের উপর দাঁঢ়িয়ে সভা করেছি। এখন যারাই সিপিএম-তারাই তৃণমূল। দুপক্ষ মিলে মিশে
শুভেন্দু অধিকারী: একটি বিশেষ গোষ্ঠীর লোকেরা যেখানে অত্যাচার করেছে এখন জামা বদল করে লাল জামা পরার চেষ্টা করছে। কারণ আজ দিল্লিতে বেবি আর আন্টি দুজনের ভাব হয়ে গেছে। আন্টি মানে একটাই পিসি। এদের মধ্যে ভাব-ভালবাসা হয়ে গেছে। তাই যখন উন্নয়ন করতে তখন অশান্তি করছে।
শুভেন্দু অধিকারী: আগামী দিনে মমতা তৃণমূল ও তাঁদের বন্ধি লাল পার্টি যাঁরা ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে চায় তাদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবে।