বর্ধমান: স্বমহিমায় দিলীপ ঘোষ। এবার আর রাজ্য সরকার নয়। বিজেপি প্রার্থীর নিশানায় কিন্তু অন্য কেউ। বর্ধমানের চা চক্রে একেবারে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই আক্রমণাত্মক তিনি। তাঁর লক্ষ্য বর্ধমান থানার পুলিশ। আইসি দিব্যেন্দু দাসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি। দলের জেলা সভাপতি ও অন্যদের কড়া হতে বললেন। বিজেপির সভা বাতিল হতেই কার্যত ক্ষুব্ধ হন বিজেপি নেতা।
আজ কথা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “রোজ চমকাচ্ছে। পুলিশ প্রোগ্রাম বাতিল করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাতদিন-দশদিন বসে এই করে গেছেন। ওদের কাছে লোক নেই। পুলিশ আছে। আমি এবারে বিডি ও, ডিএম ঘেরাও করব।” এরপর তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ওঁর(আই সির)দম বের করে দেব। বেরতে দেব না ঘর থেকে।” আরও উত্তেজিত হয়ে দিলীপ আইসি-র উদ্দেশ্যে বলেন, “দেখি কী রকম চামচাগিরি করে।”
এরপর বিজেপির এক মহিলা সমর্থক আইসি-র বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ করেন। তা শুনে পাল্টা দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওর বাপের জমিদারি নাকি?আইসি হয়েছে? কাপড় খুলে দেব রাস্তায় নিয়ে এসে৷ দিলীপ ঘোষ পাঁচ বছর থাকবে।”
এরপর জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা-কে বলেন,”তুমি নিজে যাও। বেটারা যত তোলাবাজ দাগী নিয়ে কারবার করে। ওরা আইন মানে নাকি? আমি মানব?” এরপর বলতে থাকেন,”উনি ভেবেছেন এমন চামচাবাজি করে চলবে। কতবড় চামচা হয়েছে। আমি ওকে দেখছি।” সঙ্গে বলেন,”আইসি-কে রাস্তায় ধরব। কাপড় খুলে নেব। বালিচোর,গরুচোর নেতা ভেবেছে নাকি? এবারে ওকেই টার্গেট করব।” সঙ্গে এও বলেন,” যদি প্যান্ট না খুলে দিতে পারি, আমি দিলীপ ঘোষ নই।”
এরপর জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা-কে নির্দেশ দেন নাম দিয়ে আইসি এবং এক এস আই সুব্রত দেওয়ানের নামে অভিযোগ জানাতে। বলেন,”এস আই নাকি খুব বড় হিরো?সে আমাদের ক্লাস নিচ্ছে। আর বালিওয়ালাদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে।
দুমাস পরে আমি বর্ধমানে থাকব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন না। দিলীপ ঘোষকে চেনেন না। কে বাঁচায় দেখব।”
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের বলেন,”আমার প্রচার হয়ে গিয়েছে। এবারে কমপ্লেন করব পুলিশ অফিসারের নাম দিয়ে। দরকার হলে পুলিশকে থানায় আটকে রেখে দেব।থানা থেকে বেরতে দেব না।”
বর্ধমান: স্বমহিমায় দিলীপ ঘোষ। এবার আর রাজ্য সরকার নয়। বিজেপি প্রার্থীর নিশানায় কিন্তু অন্য কেউ। বর্ধমানের চা চক্রে একেবারে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই আক্রমণাত্মক তিনি। তাঁর লক্ষ্য বর্ধমান থানার পুলিশ। আইসি দিব্যেন্দু দাসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি। দলের জেলা সভাপতি ও অন্যদের কড়া হতে বললেন। বিজেপির সভা বাতিল হতেই কার্যত ক্ষুব্ধ হন বিজেপি নেতা।
আজ কথা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “রোজ চমকাচ্ছে। পুলিশ প্রোগ্রাম বাতিল করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাতদিন-দশদিন বসে এই করে গেছেন। ওদের কাছে লোক নেই। পুলিশ আছে। আমি এবারে বিডি ও, ডিএম ঘেরাও করব।” এরপর তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ওঁর(আই সির)দম বের করে দেব। বেরতে দেব না ঘর থেকে।” আরও উত্তেজিত হয়ে দিলীপ আইসি-র উদ্দেশ্যে বলেন, “দেখি কী রকম চামচাগিরি করে।”
এরপর বিজেপির এক মহিলা সমর্থক আইসি-র বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ করেন। তা শুনে পাল্টা দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওর বাপের জমিদারি নাকি?আইসি হয়েছে? কাপড় খুলে দেব রাস্তায় নিয়ে এসে৷ দিলীপ ঘোষ পাঁচ বছর থাকবে।”
এরপর জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা-কে বলেন,”তুমি নিজে যাও। বেটারা যত তোলাবাজ দাগী নিয়ে কারবার করে। ওরা আইন মানে নাকি? আমি মানব?” এরপর বলতে থাকেন,”উনি ভেবেছেন এমন চামচাবাজি করে চলবে। কতবড় চামচা হয়েছে। আমি ওকে দেখছি।” সঙ্গে বলেন,”আইসি-কে রাস্তায় ধরব। কাপড় খুলে নেব। বালিচোর,গরুচোর নেতা ভেবেছে নাকি? এবারে ওকেই টার্গেট করব।” সঙ্গে এও বলেন,” যদি প্যান্ট না খুলে দিতে পারি, আমি দিলীপ ঘোষ নই।”
এরপর জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা-কে নির্দেশ দেন নাম দিয়ে আইসি এবং এক এস আই সুব্রত দেওয়ানের নামে অভিযোগ জানাতে। বলেন,”এস আই নাকি খুব বড় হিরো?সে আমাদের ক্লাস নিচ্ছে। আর বালিওয়ালাদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে।
দুমাস পরে আমি বর্ধমানে থাকব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন না। দিলীপ ঘোষকে চেনেন না। কে বাঁচায় দেখব।”
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের বলেন,”আমার প্রচার হয়ে গিয়েছে। এবারে কমপ্লেন করব পুলিশ অফিসারের নাম দিয়ে। দরকার হলে পুলিশকে থানায় আটকে রেখে দেব।থানা থেকে বেরতে দেব না।”