Water Problem: পা ধোয়াও চলছে, জল খাচ্ছে কুকুরাও! সেই জলই আবার খাচ্ছি আমরা… ভাবতে পারেন, শুনলে গা ঘিনঘিন করে উঠবে!
Ketugram: কেউ সেই জমা জলে পা ধুচ্ছেন, কেউ বাসন পরিষ্কার করছেন। এমনকি সেই জল পান করতেও দেখা যাচ্ছে পথকুকুরদেরও। তাদেরই বা দোষ কোথায়! জল রয়েছে, খাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাইপ ফেটে যাওয়ার পর রাস্তার নোংরা-আবর্জনা মিশে যাচ্ছে পানীয় জলের সঙ্গে।

কেতুগ্রাম: ফেটে গেছে পানীয় জলের পাইপ। আর সেই পাইপ ফেটে বেরিয়ে আসছে জল। রাস্তাময় সেই জল একাকার। রাস্তার ধারে জমে থাকা সেই জলেই কেউ পা ধুচ্ছেন, কেউ বাসন পরিষ্কার করছেন, আবার সেই জল খাচ্ছে পথ কুকুর। আর এই নোংরা জলই পাইপের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের বাড়িতে। শুনেই গা ঘিনঘিন করছে না? ঠিক এমনটাই হচ্ছে কেতুগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের যতীনপুর এলাকায়।
গ্রাম ঢোকার মুখেই দেখা যাবে রাস্তার পাশের মাটির নীচে থাকা সজলধারা প্রকল্পের পানীয় জলের পাইপলাইন। কোনওভাবে তা ফেটে যাওয়ায় সেখান থেকেই হু হু করে জল বেরিয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছে। এক-দু’দিন, এক-দু’মাস নয়, বিগত চার মাস ধরে চলছে এই পরিস্থিতি। দ্রুত গতিতে জল বার হওয়ায় তৈরি হয়েছে গর্ত। সেই গর্তে জমে থাকছে জল। আর সেখানেই দেখা যাচ্ছে একের পর এক দৃশ্য।
কেউ সেই জমা জলে পা ধুচ্ছেন, কেউ বাসন পরিষ্কার করছেন। এমনকি সেই জল পান করতেও দেখা যাচ্ছে পথকুকুরদেরও। তাদেরই বা দোষ কোথায়! জল রয়েছে, খাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাইপ ফেটে যাওয়ার পর রাস্তার নোংরা-আবর্জনা মিশে যাচ্ছে পানীয় জলের সঙ্গে।
সবচেয়ে বড় অভিযোগ, এই পাইপলাইন দিয়েই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয় পানীয় জল। ফলে পাইপ ফেটে বাইরে থেকে নোংরা আবর্জনা জলে মিশছে। সেই জলই পৌছাচ্ছে বাড়ি বাড়ি। বাধ্য হয়ে অনেকেই সেই জল ব্যবহার করছেন, এমনকী পানও করছেন বলে অভিযোগ।আরো অভিযোগ,এই জলে থাকছে দুর্গন্ধ, স্বাস্থ্যের ক্ষতির আশঙ্কা। অন্যদিকে, পাইপ ফেটে যাওয়ার কারণে বাড়ির কলেও জলের গতি কমে গিয়েছে। আগে যে পরিমাণ জল পাওয়া যেত, এখন তার তুলনায় অনেক ধীর গতিতে জল পড়ছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। বহুবার জানানোর পরেও মেরামত হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গ্রামবাসীদের দাবি, দ্রুত ফেটে যাওয়া পাইপ মেরামত করতে হবে।
