Kalna: খসড়া তালিকায় মৃত থাকায় অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি পর্যন্তও যান, সেই পূর্ণর নামই নেই তালিকায়

কালনা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৪ নম্বর বুথের বাসিন্দা পূর্ণ সাহা। পেশায় দিনমজুর। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা ও স্ত্রী।অভিযোগ,এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও খসড়া তালিকায় নামের পাশে পূর্ণ সাহাকে মৃত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জানতে পেরেই কালনা পুরসভায় সশরীরে হাজির হয়ে ডেথ সার্টিফিকেট আনতে যান পূর্ণ। জানাজানি হতেই টনক নড়ে প্রশাসনের।আশ্বাস দেওয়া হয় ভোটার তালিকায় জীবিত হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হবে।

Kalna: খসড়া তালিকায় মৃত থাকায় অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি পর্যন্তও যান, সেই পূর্ণর নামই নেই তালিকায়
পূর্ণ সাহাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 04, 2026 | 8:11 AM

কালনা: খসড়া তালিকায় মৃত, নাম নেই প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায়। সশরীরে জীবিত থেকেও মৃত হওয়ায় বিড়ম্বনায় ৪২ বছরের জীবিত পূর্ণ সাহা। ঘটনাকে ঘিরে শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলের বক্তব্য,  এই গোটা বিষয়টি কমিশনেরই হাতে, তাই কমিশন দায়ী। পাল্টা বিজেপির দাবি,তৃণমূলের আমলে সাদা খাতায় চাকরি পাওয়া BLO-রা এই কাজ করছেন।

কালনা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৪ নম্বর বুথের বাসিন্দা পূর্ণ সাহা। পেশায় দিনমজুর। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা ও স্ত্রী।অভিযোগ,এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও খসড়া তালিকায় নামের পাশে পূর্ণ সাহাকে মৃত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জানতে পেরেই কালনা পুরসভায় সশরীরে হাজির হয়ে ডেথ সার্টিফিকেট আনতে যান পূর্ণ। জানাজানি হতেই টনক নড়ে প্রশাসনের।আশ্বাস দেওয়া হয় ভোটার তালিকায় জীবিত হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হবে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে মা ও স্ত্রীর নাম থাকলেও পূর্ণর নাম নেই।জীবিত থেকেও সরকারি ভাবে মৃত হিসাবে নাম বাদ এখন রাতের ঘুম উড়ছে পূর্ণ সাহা ও তাঁর পরিবারের।বন্ধ হয়ে যেতে পারে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা। হেনস্থা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

তালিকায় নাম না থাকায় চরম ভোগান্তির স্বীকার পূর্ণ সাহা ও তার পরিবার।পরিচয় পত্র ও নথি দেখিয়ে জীবিত প্রমাণের জন্য আবেদন করেও সমাধান মেলেনি। এমনকি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরেও সংশোধন চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, BLO-র গাফিলতিতেই এই ভুল। যদিও এই বিষয়ে BLO র কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এ প্রসঙ্গে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর কল্পনা বসু বলেন, “এক্ষেত্রে আমি কমিশনকেই দায়ী করব। পূর্ণ সাহাকে প্রথমেই যখন মৃত বলে দেখানো হল, তখনই তৃণমূলের তরফ থেকে বিডিও, এসডিও অফিসে জানানো হয়। আমাদের বলা হল ফর্ম ৬ ফিলআপ করা হয়েছে, ফাইনাল লিস্টে নাম বেরোবে।  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিল্লি পর্যন্ত গিয়েছিলেন। এটা একটা সিরিয়াস ইস্যু, এরপরও কীভাবে এটা হল? ”

বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার জেলার সাধারণ সম্পাদক সুমন ঘোষ বলেন, “কমিশনের ওপর ভরসা রয়েছে। ৬ নম্বর ফর্ম ফিলআপ করিয়ে ঠিক করা হবে। বিএলও কাজ করেছে। তৃণমূলের নামে যারা সাদা খাতায় চাকরি পেয়েছে, তারাই তো আবার আজকের দিনে বিএলও। তারাই এই কাজটা করেছেন।”

Follow Us