Purba Bardhaman: আবাসের টাকা ‘আত্মসাৎ’ করেছিলেন, নোটের বান্ডিল নিয়ে BDO অফিসে TMC নেতা
Former TMC leader returns PMAY funds: তাঁর বিরুদ্ধে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে একাধিকজনের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই নিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, "আজকে আমি দশ বছর পার্টি ছেড়ে দিয়েছি (যদিও নিজেই পরে বলেন, ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলাম)। সিপিএম থেকে বিজেপি যারা হয়েছে, তারা মিথ্যে অভিযোগ করেছে।"

মঙ্গলকোট: যে কোনও প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল আমলে বারবার উঠেছে। রাজ্যে পালাবদল হতেই সেই কাটমানি ফেরাতেই বিডিও অফিসে পৌঁছে গেলেন এক তৃণমূল নেতা। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম তাপস কেস। বুধবার নগদ ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে BDO অফিসে যান তিনি।
তাপস কেস মঙ্গলকোটের ঝিলু ১ পঞ্চায়েতের কুদো গ্রামের তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি। অভিযোগ, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে গ্রামের কয়েকজন আবাসের উপভোক্তার ঘরের টাকা তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পরই বিষয়টি জানাজানি হয়। চাপে পড়ে গ্রামবাসীদের টাকা ফেরত দিতে চান বলে জানান। এরপর মঙ্গলকোটের বিজেপি বিধায়ক শিশির ঘোষের পরামর্শে এদিন তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢোকা ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ফেরত দিতে বিডিও অফিসে আসেন তৃনমূল নেতা তাপস কেস। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি টাকা ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে টাকা ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
তাঁর অ্যাকাউন্টে অন্যের আবাসের টাকা ঢোকা নিয়ে তৎকালীন গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘাড়ে দোষ চাপান তৃণমূল এই নেতা। বলেন, “২০১৮-১৯ সালে তোতন মাঝির আবাসের টাকা আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। আমার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার জন্য প্রধান দায়ী। সরকারিভাবে তো ওই টাকা আমার নয়। এখন বিধায়কের নির্দেশে ফেরত দিচ্ছি।” প্রশ্ন করা হয়, এতদিন কেন ফেরত দেননি? জবাবে তৃণমূল নেতা বলেন, “এতদিন কেউ ফেরত চাননি।”
তাঁর বিরুদ্ধে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে একাধিকজনের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই নিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, “আজকে আমি দশ বছর পার্টি ছেড়ে দিয়েছি (যদিও নিজেই পরে বলেন, ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলাম)। সিপিএম থেকে বিজেপি যারা হয়েছে, তারা মিথ্যে অভিযোগ করেছে।”
