Purba Bardhaman: পুকুরে জাল ফেলতেই মাছের বদলে যা পাওয়া গেল, শিউরে উঠেন সবাই
Bhatar pond mystery: পুকুরের মালিক বলেন, "আমি বাইরে কাজ করি। শনিবার বাড়ি আসি। সোমবার চলে যাই। নিশ্চিতভাবে কেউ ফেলেছে। না হলে পুকুরে ওটা এল কী করে? তবে এটা খুব আশ্চর্য ব্যাপার।"

ভাতার: পুকুরে মাছ ধরা হচ্ছিল। সেই মাছ ধরতে গিয়েই পাওয়া গেল একটি সিন্দুক। আর সেই সিন্দুকের ভিতরে রয়েছে একটি হার্ড ডিস্ক এবং একটি মাদারবোর্ড। ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ল পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। কারা ওই সিন্দুক পুকুরে ফেলেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ এসে ওই হার্ড ডিস্ক ও মাদারবোর্ড নিয়ে গিয়েছে।
ভাতারের বলগোনা অঞ্চলের তুলসীডাঙা পাড়ায় মহম্মদ জিয়াউদ্দিনের পুকুরে রবিবার মাছ ধরা হচ্ছিল। জিয়াউদ্দিন কলকাতায় কাজ করেন। সপ্তাহের শেষে বাড়ি ফেরেন। রবিবার জেলের তাঁর বাড়ির কাছের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন। কিন্তু ভালো মাছ না ওঠায় আরও দু’বার জাল ফেলা হয়। সেইসময়ই জেলেরা ওই সিন্দুকটি পুকুর থেকে তোলেন। সিন্দুকের লকারের মুখটি আলগা হওয়ায় তা সহজেই খুলে যায়। দেখা যায়, তার মধ্যে একটি হার্ড ডিস্ক এবং একটি মাদারবোর্ড রয়েছে। এতেই রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে সব উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
কী বলছেন পুকুরের মালিক?
পুকুরের মালিক জিয়াউদ্দিন বলেন, “আমার পুকুরে জেলেরা এসেছিল মাছ ধরতে। প্রথমবার জাল টানার পর মাছ উঠল না। আমি বললাম, একটু ভালো করে মাছ ধরো। ধারগুলো দেখো। আবার জাল টানল। সেইসময় ওরা বলল, পায়ে লোহার মতো কিছু লাগল। আমি বললাম, কী ওটা? ওরা পুকুর থেকে তুলল।” তিনি আরও বলেন, “আমি বাইরে কাজ করি। শনিবার বাড়ি আসি। সোমবার চলে যাই। নিশ্চিতভাবে কেউ ফেলেছে। না হলে পুকুরে ওটা এল কী করে? তবে এটা খুব আশ্চর্য ব্যাপার।”
তাঁর প্রতিবেশী মোজাম্মেল হক বলেন, কিছু গোপন করার জন্যই এগুলো ফেলা হয়ে থাকতে পারে। প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়েছিল। তারা এসে সব নিয়ে গিয়েছে। হয়তো রাতে কেউ ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কেন ফেলেছে, তা বোঝা যাচ্ছে না। নিশ্চিত কিছু ছিল।”
