Jamalpur MLA: ‘চার জনের বায়োডাটা পাঠান…’, বিধায়কের কাছে ফোন ‘স্টেট ব্যাঙ্কের অফিসারের’, তারপরই…
Jamalpur MLA Fraud Case: বিধায়কের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় ডিটেলসে জানতে চাওয়ায় অপরপ্রান্ত থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়। আবার কিচ্ছুক্ষণ পরে তৃতীয়বার ফোন আসলে বিধায়ক বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সুপারকে ফোনে জানান। বিধায়কের দাবি, পুলিশ তাঁকে জানিয়েছেন ফোনটি উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছিল।

পূর্ব বর্ধমান: বিধায়কদের সঙ্গেও প্রতারণা। থানায় অভিযোগ দায়ের পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের বিধায়ক অরুণ হালদারের। তাঁর দাবি, কয়েকদিন আগে তাঁর মোবাইলে একটি ফোন আসে। ফোনের ওপর প্রান্ত থেকে একজন হিন্দি ভাষী নিজেকে স্টেট ব্যাঙ্কের অফিসার পরিচয় দিয়ে ফোন করেন। ফোনে সেই ব্যক্তি বিধায়ককে জানান, তাঁর এলাকার চার জন শিক্ষিত বেকারের বায়োডাটা দেওয়ার জন্য, তাঁরা কাজ দেবেন। আধ ঘণ্টা পরে আবার সেই ব্যক্তি ফোন করেন এবং তাড়াতাড়ি বায়োডাটা দেওয়ার জন্য জোর দেন।
বিধায়কের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় ডিটেলসে জানতে চাওয়ায় অপরপ্রান্ত থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়। আবার কিচ্ছুক্ষণ পরে তৃতীয়বার ফোন আসলে বিধায়ক বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সুপারকে ফোনে জানান। বিধায়কের দাবি, পুলিশ তাঁকে জানিয়েছেন ফোনটি উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছিল। এরপরই অরুণ হালদার জামালপুর থানায় বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন।
একইভাবে মেমারির বিধায়ক মানবগুহর কাছে প্রতারকদের ফোন এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। অরুণ হালদার আরও জানান, “গত পরশু কলকাতায় একটি ট্রেনিং চলছিল সেসময় অশোক নগরের বিধায়ককে ফোনে বলতে শুনি চারটে বায়োডাটা আনার জন্য। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে সাবধান করি।”
বিধায়কের মতে এটা একটা প্রতারণা চক্রের র্যাকেট হতে পারে আবার বিধায়কদের বদনাম করার একটা চক্রান্তও হতে পারে। বিধায়কের কাছ থেকে বায়োডাটা নিয়ে সেই সকল ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রতারণা করে বিধায়কদের বদনাম করার একটা চক্রান্ত হতে পারে বলে মত অরুণ হালদারের।
