AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Monkey: মহিলাকে চুমু দিল হনুমান, ‘আদর’ করেই সটান ওটা নিয়ে পালিয়ে গেল…

Monkey: সোনালি চক্রবর্তী বলেন, "রোজগার মতো এদিনও হোটেলের সামনে আসে হনুমানটি। তারপর খাবার দেওয়া হয়। খাবার খাওয়ার পর তাকে জল খেতে দেওয়া হয়। জল খেয়ে সে আমার মাথায় হাত দিয়ে আর্শীবাদ করে। আমার গালে চুমু খেল। গালে আদর করল।"

Monkey: মহিলাকে চুমু দিল হনুমান, 'আদর' করেই সটান ওটা নিয়ে পালিয়ে গেল...
নানা খাবার দিয়ে তোষামোদ করা হয় হনুমানটিকে
| Edited By: | Updated on: Feb 22, 2025 | 7:51 PM
Share

গুসকরা: খাবার খেল। ‘আশীর্বাদ’ করল। তারপর মহিলার স্মার্টফোনও নিল। আর সেই স্মার্টফোন ফিরে পেতে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে তোষামোদ করতে হল হনুমানকে। শেষমেশ অবশ্য হনুমানটি স্মার্টফোন ফেরত দিল। শনিবার এই ছবি ধরা পড়ল পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায়।

মঙ্গলকোটের পালিগ্রামের বাসিন্দা সোনালি চক্রবর্তী গুসকরার বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি হোটেলে কাজ করেন। এদিন হোটেলে কাজ করার সময় তাঁর মোবাইলটি পাশে রাখা ছিল। ওই সময়ে একটি হনুমান হোটেলে ঢোকে। সোনালি তাকে খেতে দেন। তিনি বলেন, হনুমানটি তাঁকে আশীর্বাদও করে। তারপরই তাঁর মোবাইলটি নিয়ে চলে যায়।

খানিকক্ষণ পর সোনালি দেখেন, তাঁর মোবাইল হনুমানের কব্জায়। মোবাইলটি ফিরে পেতে রীতিমতো শুরু হয় কাকুতি মিনতি। তাতেও কোন কাজ হয় না। বিস্কুট, চপ, ফুলুরি, কেক, কলা নিয়ে সোনালি-সহ বাজারের ব্যবসায়ীরা দাঁড়িয়ে থাকেন পবননন্দনের সামনে। কোনও খাবার নিল। কোনটা ছুড়ে দিল। কিন্তু, মোবাইল ছাড়ল না।

মোবাইল ফেরতে পেতে কাকুতি-মিনতি মহিলার

ডান হাতে সযত্নে মোবাইলটি ধরে বাঁ হাতে খাবার খেল রীতিমতো আয়েশ করে। বিভিন্ন রকম খাবার নিয়ে ব্যবসায়ীরা সাধ্যসাধনা করলেও হনুমানের ভ্রুক্ষেপ নাই। সে নিজের মত করে খাবার খেল। অন্যদিকে, নিজের মোবাইলটি ফিরে পেতে সোনালিও নাছোড়বান্দা। তিনিও কখনও হাতজোড় করে মোবাইলটি ফেরত চাইলেন, আবার কখনও হনুমানের কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিতে চেষ্টা করলেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও পবনপুত্র অনমনীয়। যেন কুছ পরোয়া নেহি। সে বাঁ হাতে মোবাইলটি শক্ত করে ধরে মনের আনন্দে নিজের পছন্দ মতো খাবার খেতে ব্যস্ত। মাঝেমধ্যে অপছন্দের খাবার আবার মুখে দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিল। এদিকে সোনালিও ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলেন। তিনি কাকুতি মিনতি করতে থাকেন মোবাইল ফেরত পেতে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। তবে শেষে ক্লান্ত হয়ে মোবাইলটি বাড়ির চালে রেখে চলে যায়।

মোবাইল ফেরত পাওয়ার পর সোনালি চক্রবর্তী বলেন, “রোজগার মতো এদিনও হোটেলের সামনে আসে হনুমানটি। তারপর খাবার দেওয়া হয়। খাবার খাওয়ার পর তাকে জল খেতে দেওয়া হয়। জল খেয়ে সে আমার মাথায় হাত দিয়ে আর্শীবাদ করে। আমার গালে চুমু খেল। গালে আদর করল। হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় আমার মোবাইলটি নিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আমি বেরিয়ে এসে সবাইকে বলি। সবাই তখন মোবাইল ফেরত দেওয়ার জন্য হনুমানের কাছে গিয়ে কাকুতি মিনতি করে। সবাই খাবার দেয়। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি। শেষে মোবাইলটি দেয়। তবে ঘণ্টা খানেক পর। আমি গরিব মানুষ। মোবাইল না পেলে আমার ক্ষতি হত।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী পাঞ্জাব শেখ বলেন, “আমরা সবাই অনেক কিছু খাবার দিলেও মোবাইলটি হাত ছাড়া করতে চাইছিল না হনুমানটি। অনেক কষ্টে মোবাইল ফেরত দেয়।”

Follow Us