Tantuja: এবার মুখে চওড়া হাসি বাংলার তাঁত শিল্পীদের! পুজোর আগেই বড় সুযোগের হাতছানি
Tantuja buys handloom: তাঁতিদের দাবি, বর্তমানে হ্যান্ডলুম শিল্পের অবস্থা খুবই শোচনীয়। সরকারি সাহায্য ও সহযোগিতা আরও বাড়ানো হলে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন উপকৃত হবেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, তাঁতিদের কাছ থেকে যে দামে কাপড় কেনা হচ্ছে, তার দাম আরও কিছুটা বাড়ানো হলে তাঁদের আর্থিকভাবে সুবিধা হত।

পূর্বস্থলী: পুজোর আগে তাঁতিদের মুখে কিছুটা হাসি। পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের শ্রীরামপুরে তাঁত কাপড়ের হাটে সরাসরি তাঁতিদের কাছ থেকে কাপড় কিনল তন্তুজ। শ্রীরামপুর, ধাত্রীগ্রাম ও সমুদ্রগড় এলাকার একাধিক তাঁতির কাছ থেকে তাঁতের কাপড় কেনেন তন্তুজের আধিকারিকরা। কাপড় কেনার ক্ষেত্রে কাপড়ের গুণগত মান, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখার পরই তাঁতিদের কাছ থেকে কাপড় কেনা হয়। তন্তুজের বিভিন্ন আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই চলে এই কাপড় কেনার প্রক্রিয়া। তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক প্রাণকৃষ্ণ তপাদার। পুজোর আগে সরাসরি কাপড় বিক্রির সুযোগ পাওয়ায় খুশি তাঁতিরা। তবে খুশির পাশাপাশি রয়েছে আক্ষেপও।
তাঁতিদের দাবি, বর্তমানে হ্যান্ডলুম শিল্পের অবস্থা খুবই শোচনীয়। সরকারি সাহায্য ও সহযোগিতা আরও বাড়ানো হলে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন উপকৃত হবেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, তাঁতিদের কাছ থেকে যে দামে কাপড় কেনা হচ্ছে, তার দাম আরও কিছুটা বাড়ানো হলে তাঁদের আর্থিকভাবে সুবিধা হত।
তাঁতিদের আশ্বস্ত করে বিধায়ক প্রাণকৃষ্ণ তপাদার বলেন, “যাঁরা কাপড় উৎপাদন করছেন, তাঁরা যেন ঘাবড়ে না যান। তাঁতিরা যাতে তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পান, তার জন্য সরকার ভাবনাচিন্তা করছে।” পাশাপাশি নিজের এলাকার তাঁতিদের জন্যও সর্বতোভাবে চেষ্টা করছেন তিনি। শুধু আশ্বাস নয়, খুব শীঘ্রই তাঁতিদের সুদিন ফিরবে বলেও এদিন তাঁতিদের ভরসা দিয়েছেন বিধায়ক।
পুজোর আগে তন্তুজের এই সরাসরি কাপড় কেনা তাই একদিকে যেমন তাঁতিদের বিক্রির সুযোগ করে দিল, তেমনই দীর্ঘদিন ধরে সঙ্কটে থাকা হ্যান্ডলুম শিল্পে নতুন আশার আলো দেখছেন তাঁতিরা।
