Burdwan-Kali Puja: শিরা-ধমনী সব যেন একেবারে স্পষ্ট, দামোদরের গর্ভ থেকে উঠে এসেছিল
কথিত আছে, ১৯১৬ সালের আশপাশে বন্যা হয়েছিল বাংলায়। দামোদর ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সম্পূর্ণ এলাকা। বন্যার জল নামার পর দামোদরের গর্ভ থেকেই উদ্ধার হয় কষ্টিপাথরের এই দেবীমূর্তি। পরে সাধারণ মানুষ পুজো শুরু করেন। তখন থেকেই দেবীর আরাধনা হয়ে আসছে। প্রায় সারাবছরই এখানে ভক্ত সমাগম হয়ে থাকে। কালীপুজোর দিন ভক্তের ঢল নামে। ভক্তরা বলেন এই মন্দিরে পূর্ণ হয় সব মনষ্কামনা।

বর্ধমান: উচ্চতা ৬ ফুট, গলায় ঝুলছে মুণ্ডমালা, ডান হাতে ত্রিশূল, পায়ের তলায় শিব। দূর থেকে দেখতে এই মূর্তি আর পাঁচটি কালীমূর্তির মতো হলেও, কাছে গেলেই বোঝা যাবে, এই দেবী অনেকটাই আলাদা। কঙ্কালসার মূর্তিতে মানবদেহের শিরা-উপশিরা-ধমনীর প্রত্যেকটি একেবারে নিখুঁত। মূর্তিটি দেখলে মনে হবে পাথরের উপরে মানুষের দেহের যেন কঙ্কাল-রূপ। শতাব্দী প্রাচীন এই মূর্তি
বর্ধমানের কাঞ্চননগরের কঙ্কালেশ্বরী দেবী মূর্তি খুব প্রাচীন। দেবী এখানে কঙ্কালরূপিণী। ৬ ফুট উচ্চতার কালো ব্যাসাল্ট পাথরের উপর নিপুণ ও নিখুঁতভাবে খোদাই করা কালী মূর্তি। প্রতিমার মাথার উপরে হাতী ও পায়ের নীচে শায়িত শিব। উপরের ডান হাতে ত্রিশূল। পদতলে শিব। অষ্টভুজা এই চামুন্ডা মূর্তিকেই কঙ্কালেশ্বরী রূপে পুজো করা হয়।মূর্তির গলায় ঝুলছে মুণ্ডমালা।
প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো এই মন্দিরের ন’টি চূড়া আছে। যার পুরোটাই টেরাকোটার কারুকার্যে তৈরি। পুরাতাত্ত্বিকদের মতে, এই মূর্তি বৌদ্ধ বা পাল যুগের। দু’হাজার বছরের বেশি প্রাচীন বলে মনে করেন কেউ কেউ। আবার কারও মতে মূর্তিটি জৈন আমলের।
কথিত আছে, ১৯১৬ সালের আশপাশে বন্যা হয়েছিল বাংলায়। দামোদর ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সম্পূর্ণ এলাকা। বন্যার জল নামার পর দামোদরের গর্ভ থেকেই উদ্ধার হয় কষ্টিপাথরের এই দেবীমূর্তি। পরে সাধারণ মানুষ পুজো শুরু করেন। তখন থেকেই দেবীর আরাধনা হয়ে আসছে। প্রায় সারাবছরই এখানে ভক্ত সমাগম হয়ে থাকে। কালীপুজোর দিন ভক্তের ঢল নামে। ভক্তরা বলেন এই মন্দিরে পূর্ণ হয় সব মনষ্কামনা।
