Ketugram Murder: ‘ছুটে এসে দেখি মামার পেট থেকে ভুঁড়ি বেরিয়ে গিয়েছে’, ভোটের সকালে কেতুগ্রাম যেন আতঙ্কপুরী

Ketugram Murder: শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এক বন্ধুর সঙ্গে বাইকে ফিরছিলেন মিন্টু শেখ। রাস্তাতেই তাঁর উপর হামলা হয়। বোমাবাজিও হয়। অভিযোগ, পাশে একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।

| Edited By: জয়দীপ দাস

May 13, 2024 | 8:37 AM

কেতুগ্রাম: ভোটের হাওয়ায় তপ্ত বাংলা। ঝরল রক্ত। শনিবার রাতেই কেতুগ্রামের তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চেঁচুরি গ্রামের ঘটনা। মৃতের নাম মিন্টু শেখ (৪৫)। ভোটের আগে রাত থেকে এ ঘটনায় স্বভাবতই উত্তপ্ত গোটা এলাকা। এদিকে এদিনই আবার ভোট বোলপুরে। বোলপুর লোকসভার আওতায় পড়ে কেতুগ্রাম বিধানসভা এলাকা। 

এদিন সকাল থেকেই বীরভূমের নানা প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার ছবি সামনে এসেছে। তারমধ্যে কেতুগ্রামের ঘটনায় আরও চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এদিকে মৃতের স্ত্রী তুহিনা খাতুনের দাবি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই খুন হয়েছেন তাঁর স্বামী। লোক দিয়ে খুন করানো হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। 

খুনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। এই বিস্ফোরক অভিযোগও করেছেন তুহিনা। এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে পথে তাঁর উপর হামলা করে সিপিআইএম। কিন্তু সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বামেরা। 

সূত্রের খবর, শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এক বন্ধুর সঙ্গে বাইকে ফিরছিলেন মিন্টু শেখ। রাস্তাতেই তাঁর উপর হামলা হয়। বোমাবাজিও হয়। অভিযোগ, পাশে একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

ঘটনায় মিন্টু শেখের ভাগ্নে বলেন, “রাতেই বোমার আওয়াজ পাই। প্রায় পাঁচটা বোমার আওয়াজ পেয়েছিলাম। আমরা যখন খবর পেয়ে আসি তখন মামার শরীরে প্রাণ ছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। মুখে জল দিতে না দিতেই সব শেষ। ওকে এমন কোপায় যে একেবারে ভুঁড়ি বেরিয়ে গিয়েছিল। ওর সঙ্গে একজন ছিল। তাঁকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ও দীর্ঘদিন থেকে তৃণমূল করতেন। সম্প্রতি কিছু অসুবিধা হচ্ছিল বলে রাজনীতি থেকে একটু দূরে ছিল। এখন কী থেকে কী হয়ে গেল!” 

কেতুগ্রাম: ভোটের হাওয়ায় তপ্ত বাংলা। ঝরল রক্ত। শনিবার রাতেই কেতুগ্রামের তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চেঁচুরি গ্রামের ঘটনা। মৃতের নাম মিন্টু শেখ (৪৫)। ভোটের আগে রাত থেকে এ ঘটনায় স্বভাবতই উত্তপ্ত গোটা এলাকা। এদিকে এদিনই আবার ভোট বোলপুরে। বোলপুর লোকসভার আওতায় পড়ে কেতুগ্রাম বিধানসভা এলাকা। 

এদিন সকাল থেকেই বীরভূমের নানা প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার ছবি সামনে এসেছে। তারমধ্যে কেতুগ্রামের ঘটনায় আরও চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এদিকে মৃতের স্ত্রী তুহিনা খাতুনের দাবি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই খুন হয়েছেন তাঁর স্বামী। লোক দিয়ে খুন করানো হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। 

খুনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। এই বিস্ফোরক অভিযোগও করেছেন তুহিনা। এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে পথে তাঁর উপর হামলা করে সিপিআইএম। কিন্তু সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বামেরা। 

সূত্রের খবর, শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এক বন্ধুর সঙ্গে বাইকে ফিরছিলেন মিন্টু শেখ। রাস্তাতেই তাঁর উপর হামলা হয়। বোমাবাজিও হয়। অভিযোগ, পাশে একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

ঘটনায় মিন্টু শেখের ভাগ্নে বলেন, “রাতেই বোমার আওয়াজ পাই। প্রায় পাঁচটা বোমার আওয়াজ পেয়েছিলাম। আমরা যখন খবর পেয়ে আসি তখন মামার শরীরে প্রাণ ছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। মুখে জল দিতে না দিতেই সব শেষ। ওকে এমন কোপায় যে একেবারে ভুঁড়ি বেরিয়ে গিয়েছিল। ওর সঙ্গে একজন ছিল। তাঁকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ও দীর্ঘদিন থেকে তৃণমূল করতেন। সম্প্রতি কিছু অসুবিধা হচ্ছিল বলে রাজনীতি থেকে একটু দূরে ছিল। এখন কী থেকে কী হয়ে গেল!” 

Follow Us