VIDEO: সব ফেলে গরুদের দে দৌড়! গরুর গাড়িতে প্রচার করতে গিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে যা ঘটল…

আয়োজক শেখ লালনও গরুদের বেগতিকভাব বুঝে গরুর গাড়ির বদলে প্রার্থীর পায়ে হেঁটে প্রচারের ব্যবস্থা করেন। শেখ লালন বলেন, "গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধিতে জঙ্গলমহলের মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। তাছাড়াও ভোটের আগে কমিশনের বাইক নিদানের প্রতিবাদে গরুর গাড়িকেই হাতিয়ার করেছিলাম।"

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Apr 25, 2026 | 5:12 PM

বর্ধমান: প্রচারে কে কত অভিনবত্ব আনতে পারে, যেন তারই প্রতিযোগিতা চলছে। কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে গৃহস্থের কাজ করছেন তো কেউ জেসিবিতে চড়ে প্রচার করছেন। আর সেই অভিনবত্ব আনতে গিয়েই ঘটে গেল বড়সড় বিপত্তি। কোনও ক্রমে রক্ষা পেলেন প্রার্থী। সঙ্গে ছিলেন সাংসদও। প্রচারের মাঝেই পড়ে গেল হুড়োহুড়ি।

ঠিক কী ঘটল…

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ঘটনা। ২০১১ সালে পালাবদলের সময় বামদের দখলে ছিল আউশগ্রাম বিধানসভা। তারপর থেকে ক্রমশ ঘাসফুলের দাপট বেড়েছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে আউশগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার। শুক্রবার বিকালে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালনের উদ্যোগে গরুর গাড়ির মিছিলের আয়োজন করা হয়। গরুর গাড়িতে বলেন সাংসদ শর্মিলা সরকার ও প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্ন লোহার।

এই মিছিল শুরু হওয়ার পরই গানবাজনা ও মানুষজনের উপস্থিতিতে গরুগুলি ভয় পেয়ে যায়। আর তখনই মারত্মক বিপত্তি ঘটে। কাঁধে জোয়াল ফেলে গরুগুলো পালানোর পথ খুঁজতে শুরু করে। সবার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, সাংসদ শর্মিলা সরকারকে কোনও ক্রমে নামিয়ে আনেন দলের কর্মীরা। কমবেশি আতঙ্কিত হন তাঁরা। তবে কপালজোরে কেউ জখম হননি।

কেন গরুর গাড়ি আনা হল?

আয়োজক শেখ লালনও গরুদের বেগতিকভাব বুঝে গরুর গাড়ির বদলে প্রার্থীর পায়ে হেঁটে প্রচারের ব্যবস্থা করেন। শেখ লালন বলেন, “গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধিতে জঙ্গলমহলের মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। তাছাড়াও ভোটের আগে কমিশনের বাইক নিদানের প্রতিবাদে গরুর গাড়িকেই হাতিয়ার করেছিলাম। কিন্তু, এই গরু জোগাড় করতে বেগ পেতে হয়েছে ব্লক সভাপতিকে।”

বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “গরু বুঝতে পেরেছে তৃণমূলের বিদায় আসন্ন। তাই তারা মিছিলে গেলেও তৃণমূলের সমর্থনে হাঁটতে অস্বীকার করে।”

বর্ধমান: প্রচারে কে কত অভিনবত্ব আনতে পারে, যেন তারই প্রতিযোগিতা চলছে। কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে গৃহস্থের কাজ করছেন তো কেউ জেসিবিতে চড়ে প্রচার করছেন। আর সেই অভিনবত্ব আনতে গিয়েই ঘটে গেল বড়সড় বিপত্তি। কোনও ক্রমে রক্ষা পেলেন প্রার্থী। সঙ্গে ছিলেন সাংসদও। প্রচারের মাঝেই পড়ে গেল হুড়োহুড়ি।

ঠিক কী ঘটল…

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ঘটনা। ২০১১ সালে পালাবদলের সময় বামদের দখলে ছিল আউশগ্রাম বিধানসভা। তারপর থেকে ক্রমশ ঘাসফুলের দাপট বেড়েছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে আউশগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার। শুক্রবার বিকালে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালনের উদ্যোগে গরুর গাড়ির মিছিলের আয়োজন করা হয়। গরুর গাড়িতে বলেন সাংসদ শর্মিলা সরকার ও প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্ন লোহার।

এই মিছিল শুরু হওয়ার পরই গানবাজনা ও মানুষজনের উপস্থিতিতে গরুগুলি ভয় পেয়ে যায়। আর তখনই মারত্মক বিপত্তি ঘটে। কাঁধে জোয়াল ফেলে গরুগুলো পালানোর পথ খুঁজতে শুরু করে। সবার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, সাংসদ শর্মিলা সরকারকে কোনও ক্রমে নামিয়ে আনেন দলের কর্মীরা। কমবেশি আতঙ্কিত হন তাঁরা। তবে কপালজোরে কেউ জখম হননি।

কেন গরুর গাড়ি আনা হল?

আয়োজক শেখ লালনও গরুদের বেগতিকভাব বুঝে গরুর গাড়ির বদলে প্রার্থীর পায়ে হেঁটে প্রচারের ব্যবস্থা করেন। শেখ লালন বলেন, “গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধিতে জঙ্গলমহলের মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। তাছাড়াও ভোটের আগে কমিশনের বাইক নিদানের প্রতিবাদে গরুর গাড়িকেই হাতিয়ার করেছিলাম। কিন্তু, এই গরু জোগাড় করতে বেগ পেতে হয়েছে ব্লক সভাপতিকে।”

বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “গরু বুঝতে পেরেছে তৃণমূলের বিদায় আসন্ন। তাই তারা মিছিলে গেলেও তৃণমূলের সমর্থনে হাঁটতে অস্বীকার করে।”

Follow Us