
বামেদের সঙ্গে নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
তারপরই বিস্ফোরক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সুপ্রিয়ো চন্দ। দলনেত্রী আইপ্যাকের স্ক্রিপ্ট পড়েছেন বলে মন্তব্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদকের।
তাঁর বক্তব্য, বামেদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলা যেমন তাঁদের কাছে অসম্মানের ঠিক তেমনই তৃণমূলের পুরনো কর্মীদের কাছে অসম্মানের।
দল ক্ষমতা থেকে সরতেই বিরূপ মন্তব্য শুরু করেছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। বিশেষ করে যুব নেতারা বারেবারে এই পরাজয়ের জন্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ
সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দায়ী করেছেন। তার জন্য পাঁচ নেতাকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করেছে দল।
তবে, সত্যিই কি এই বিপুল হারের দায় অভিষেকেরই? কী বলছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (sovandeb chattopadhyay)?
এদিনই আবার নিহত আপ্ত সহায়াক চন্দ্রনাথের বাড়িতে যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে মাল্যদানের কর্মসূচিও রয়েছে। নন্দীগ্রামে করতে পারেন বৈঠক। দলীয় কর্মীদের নিয়েই সেখানে বৈঠক হতে পারে বলে খবর। বৈঠক থেকে কী বার্তা দেন সেদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।
শনিবার রাতে ফেরার পথে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে নিজের পাড়া প্রবেশের পথেও তখন হাজারও মানুষের ভিড়। ভিড় ঠেলেই এগিয়ে চলল সাদা টয়োটা ফরচুনার গাড়ি। যার সামনের বামদিকের আসনে বসে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গাড়ি থেকে নেমে সকলের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন, অভ্যর্থনাও গ্রহণ করেন। বাড়িতেও তখন চলছে শুভেন্দুর জন্য অপেক্ষা। অপেক্ষায় গোটা পরিবার। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরতেই বরণ ডালা নিয়ে চলল বরণ।
জেলায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার শপথ অনুষ্ঠানে শেষ করে কোলাঘাট এলেন রাত ১১টা ১৫ মিনিটে। তারপর প্রায় কাঁথি পর্যন্ত ৯৫ কিমি রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় অগণিত মানুষ নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন। শেষে রাত দু’টো নাগাদ নিজের শহর কাঁথিতে প্রবেশ করেন শুভেন্দু।