AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nandigram: পাড়ার মধ্যে থেকে এরা দু’জন ‘এতবড়’ কারবার করছিলেন কেউ বোঝেওনি, পরে জানাজানি হতেই মাথায় হাত প্রতিবেশীদের

Nandigram: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের ঘটনা। কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ দম্পতির বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের নাম, সুমন দাস ও পুর্ণিমা দাস। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুল কুন্ডু গ্রামের ঘটনা।

Nandigram: পাড়ার মধ্যে থেকে এরা দু'জন 'এতবড়' কারবার করছিলেন কেউ বোঝেওনি, পরে জানাজানি হতেই মাথায় হাত প্রতিবেশীদের
সুমন দাস এবং পূর্ণিমা দাসImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 02, 2024 | 5:43 AM
Share

নন্দীগ্রাম: কখনও ধার চেয়েছেন, কখনও চাকরি দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কখনও আবার চড়া সুদ দেওয়ার লোভও নাকি দেখিয়েছেন। তবে কোনওটাতেই কোনও কাজ হয়নি। পরে প্রতিবেশীরা বুঝে যান যে ক্রমাগত তাঁদের ঠকানো হচ্ছে। এরপরই অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করেন তাঁরা।

পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের ঘটনা। কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ দম্পতির বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের নাম, সুমন দাস ও পুর্ণিমা দাস। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুল কুন্ডু এলাকার বাসিন্দা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুমন এবং পূর্ণিমা দাস এলাকায় বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। কাউকে বলেছেন বাড়িতে সমস্যা ধার লাগবে, কাউকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন, আবার কাউকে থেকে চড়া সুদ দেওয়ার টোপ দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে প্রায় এক কোটি টাকারও বেশি আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে দম্পতির বিরুদ্ধে। বর্তমানে বাড়ি ছেড়ে স্বামী স্ত্রী দুজনেই পলাতক। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আজ সকালে বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী টাকা ফেরতের দাবি জানান। শুধু তাই নয়,সুমন দাসের বাড়ির সামনে চলেও বিক্ষোভ। সত্তোরের উর্ধ্ব বয়স্কা দেবযানী দাস বলেন, “আমার নাতিকে চাকরি দেবে বলে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা নিয়েছে সুমন দাস। নাতিকে চাকরি তো দিতে পারেনি উপরন্তু টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।” অপরদিকে সুমন দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মা ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। সুমন দাসের মা সুমিত্রা দাস বলেন, “আমি এখন জানতে পারলাম আমার ছেলে এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়েছে। আগে জানলে এলাকার লোকজনদের সাবধান করতাম। ছেলে এবং বৌমা এখন বাড়ি ছেড়ে কোথায় চলে গেছে আমি জানি না। ওরা কোনও যোগাযোগ রাখে না।”

Follow Us