
পূর্ব মেদিনীপুর: মন্থার হাত থেকে বাংলা পুরোপুরি রেহাই পাবে না তা আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। উত্তাল হবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলি, সে কথাও জানান হয়েছিল। আর সেই পূর্বাভাসই যেন এক্কেবারে অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল। মঙ্গলবার বিকেল থেকে আকাশের মুড অফ। দখল নিল কালো মেঘের দল। পূর্ব মেদিনীপুরের বিভন্ন জায়গায় দেখা গেল হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। হাওয়া অফিস আগেই বলেছিল বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়ারও দেখা মিলবে। সেই দমকা হাওয়ার ছবিও ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট দেউলিয়া পাঁশকুড়া মেচেদা, তমলুক সহ বিভিন্ন জায়গায়।
তমলুকের মেলাহাইত গ্রামে তমলুক পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কের উপর একটি মেলার বাঁশের তোরণ ভেঙে পড়ে। তাতেও ব্য়াপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। রাজ্য সড়কের উপর বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যাপক যানজটও তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে, দমকা হওয়া যেন এক্কেবারে ঝড়ের রূপ নেয়। তার ধাক্কাতেই তোরণটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ফলে মেলা প্রাঙ্গনে থাকা বেশ কয়েকটি অস্থায়ী দোকানও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অন্যদিকে হালকা হাওয়াতেই আবার জগদ্ধাত্রী পুজোর আস্ত এক মণ্ডপ ভেঙে পড়ে চন্দননগরে। কানাইলাল পল্লীতে ভেঙে পড়ে ৭০ ফুটের সেই বিশাল মণ্ডপ। উল্টে যায় বিশালাকার প্রতিমাও। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহতও হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি উদ্ধার কাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছে চিকিৎসা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুজোর শুরুর মুখেই বিষাদের ছায়া এলাকায়। মন ভার ক্লাব কর্তাদের।