
কলকাতা ও নন্দীগ্রাম: একজন ২০২১ সাল থেকে এই বিধানসভা আসনের বিধায়ক। এবারও প্রার্থী হয়েছেন। অন্যজন এবার ওই আসনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন। দু’জনের নামের মিল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত হেভিওয়েট নন্দীগ্রামে নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তাঁর সরে দাঁড়ানোর কারণ জানা যায়নি।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সবার নজর ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের এই আসনে। আর সেই লড়াইয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা এবারও নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী। আর এই আসনেই আরও এক শুভেন্দু অধিকারীর ‘উদয়’ হয়। নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন জনৈক শুভেন্দু অধিকারী।
নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হলফনামায় দেখা যায়, বছর চুয়াল্লিশের নির্দল শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি কলকাতার গড়ফায়। যাদবপুর বিধানসভার ভোটার তিনি। নিজের হলফনামায় জানান, তাঁর নামে কোনও ফৌজদারি অভিযোগ নেই। তাঁর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ১৮১ টাকার। আর তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৪২১ টাকার।
গড়ফায় বাস করলেও পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় তাঁর ও স্ত্রীর নামে কৃষি জমি রয়েছে। এবং তা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বলে জানিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের সম্পর্ক রয়েছে। ময়নায় তাঁর নামে অকৃষি জমিও রয়েছে। ময়নাতে তাঁর বাড়িও রয়েছে। তাঁর পেশা ব্যবসায়ী বলে হলফনামায় জানান নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক পাশ বলে জানান।
শুভেন্দু অধিকারী নামে নন্দীগ্রামে নির্দল প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। তবে বৃহস্পতিবার দেখা যায়, নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। অর্থাৎ বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর নামের সঙ্গে মিল থাকা আর কোনও প্রার্থী রইল না এই আসনে।
হেভিওয়েট নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করেছে পবিত্র করকে। ওই নির্দল প্রার্থী নাম প্রত্যাহারের পর এখন এই আসনে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় এই আসনে ভোটগ্রহণ হবে।