Noida Twin Tower: নয়ডার টুইন টাওয়ার মিশেছে ধুলোয়, মহাযজ্ঞের নেপথ্যে রয়েছেন পাঁশকুড়ার বাঙালি যুবক
Twin Tower: টুইন টাওয়ার ধূলিসাতের পিছনে চেতন দত্তের নাম সকলেই জেনেছেন। কিন্তু এর পিছনে আছেন এক বাঙালি, যিনি গোটা প্রক্রিয়াটার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। তিনি পাঁশকুড়ার মৃণাল ভৌমিক।

পূর্ব মেদিনীপুর: ৯ বছরের আইনি লড়াই শেষে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে মান্যতা দিয়ে রবিবারই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নয়ডার টুইন টাওয়ার। গগনচুম্বী এই বহুতল ভাঙা হয়েছে মাত্র ৯ সেকেন্ডে। কুতুব মিনারের থেকেও উঁচু ছিল এই জোড়া বহুতল। গত এক সপ্তাহে বারবার আলোচনার শীর্ষে এসেছে এই টুইন টাওয়ার। রবিবার এই বহুতল ভাঙার কর্মযজ্ঞও ফিরেছে সকলের মুখে মুখে। আর বেআইনি এই নির্মাণ ভাঙার কাজে যুক্ত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের এক আইআইটি পড়ুয়ার।
টুইন টাওয়ার ধূলিসাতের পিছনে চেতন দত্তের নাম সকলেই জেনেছেন। কিন্তু এর পিছনে আছেন এক বাঙালি, যিনি গোটা প্রক্রিয়াটার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। তিনি পাঁশকুড়ার মৃণাল ভৌমিক। মৃণাল আইআইটি মাদ্রাজ থেকে সিভিল আর্থক্যুয়েক নিয়ে গবেষণা করেন। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থানার লক্ষ্যাকুড়ির চাউল্যাকুড়ি গ্রাম।
সেই গ্রাম থেকেই নিজের যোগ্যতার জোরে নয়ডা পৌঁছেছেন মৃণাল। বরাবরই মুখের মৃদু হাসি দিয়ে সকলের সঙ্গে সুসম্পর্কের বন্ধন গড়ে তুলেছেন বাংলার এই মেধাবী। মাদ্রাজ আইআইটি থেকে চারজনের টিম ছিল এই টুইন টাওয়ার ভাঙার জন্য। সেখানে ছিলেন মৃণালও। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে বিটেক করার পর গেট (GATE) দিয়ে এনআইটি (NIT) রউরকেল্লা থেকে এমটেক করেছেন। এখন আইআইটি মাদ্রাজ থেকে পিএইচডি করছেন। প্রাইম মিনিস্টার রিসার্চ ফেলোশিপের সুবাদে ডাক পেয়েছেন তিনি।
টেলিফোণে মৃণাল ভৌমিক বলেন, ” এই ধরনের একটি বিল্ডিং যার একদিকে ৯ থেকে ১০ মিটারের মধ্যে বসতি আর অন্যদিকে ৪ মিটার দূরেই তেল এবং গ্যাসের পাইপ লাইন যা সারা দিল্লি জুড়ে তেল ও গ্যাস সাপ্লাই হচ্ছে। এত বড় বিল্ডিং ভেঙে পড়লে স্থানীয় মানুষের কী ক্ষতি হবে তার মাপজোকের গুরুদায়িত্ব সামলানো এবং সাফল্যের সঙ্গে তা করা রীতিমত কঠিন।” মৃণাল জানান, এটা দলগত কাজ। আইআইটি রুরকি এবং আইআইটি মাদ্রাজের টিম ছিল। তিনি ছিলেন মাদ্রাজের টিমের প্রতিনিধি হিসাবে। চার মাস আগেই এই জোড়া বহুতলের পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু হয়। প্রায় ৩৫০০ কেজি বিস্ফোরক দিয়ে ভাঙা হয় এই বহুতল দু’টি।
