
নন্দীগ্রাম : প্রথম দফার নির্বাচনে হটস্পট ছিল নন্দীগ্রাম। এদিন, বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া নন্দীগ্রামে সেভাবে অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, ভোট মিটতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রামের রতনপুর। ইভিএম ভর্তি বাস আটকে রেখে আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
ঠিক কী ঘটেছে?
বিজেপির অভিযোগ, মহম্মদপুরে বুথ এজেন্টদের আনতে গিয়েছিলেন তাঁদের কর্মীরা। সেখানে তাদের মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, তাঁদের কর্মী ও এজেন্টদের আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। কর্মীদের মারধরের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নন্দীগ্রামে চন্ডিপুর রাজ্য সড়কে রতনপুর স্ট্যান্ডের কাছে আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেছেন তাঁরা। প্রায় বেশ কিছুক্ষণ এই অবরোধের ফলে আটকে পড়ে একাধিক DCRC হলদিয়া মুখী গাড়ি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিশ।
তৃণমূল কী বলছে?
এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির লোকেরা ইভিএম মেশিন নেওয়ার জন্য ঢুকেছিল। কমিশনের লোক সেজে বুথে ঢুকেছিল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
প্রসঙ্গত, চলতি বছর রেকর্ড ভোট পড়েছে প্রথম দফার নির্বাচনে। ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার মনোজ আগারওয়াল। এদিকে, প্রথম দফার ভোটের শেষেই রাজনৈতিক দলের নেতা-মন্ত্রীরা ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুরু করেছেন। এদিকে, ভোট দেওয়ার পর নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, নির্বাচনের প্রথম দফাতেই তিনি নাকি বদলা নিয়ে ফেলেছেন। শুভেন্দু বলেন, “আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি। আমাকে যা করেছিল একুশ সালের ভোটে, ১ এপ্রিল… তার বদলা সুদে-আসলে তুলে নিয়েছি।”