নন্দীগ্রাম: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বাস করছে। রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে দেওয়া হচ্ছে। গত কয়েকমাসে বারবার এই অভিযোগ করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে সোমবার ফের সরব হলেন তিনি। এদিন পূর্ব মেদিনীপুরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে কেন তাঁরা জিতবেন?
এদিন নন্দীগ্রামে একাধিক জায়গায় কালীপুজোর অনুষ্ঠানের যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন। শাসকদলের নেতারা SIR নিয়ে নানা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। এই নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন বুঝে নেবে। আমাদের দায়িত্ব নজরদারি, চৌকিদারি করা।”
এরপরই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে সরব হন তিনি। এমনকি, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামেও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন। শুভেন্দু বলেন, “আমরা তো ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে বলছি না। নন্দীগ্রামে বাংলাদেশের মহিলা ধরা পড়েছে। নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ভোটার তালিকায় বাংলাদেশে থেকে মেয়েদের পটিয়ে নিয়ে এসে এখানে দ্বিতীয় বিয়ে, তৃতীয় বিয়ে করে রেখেছে। এখানে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়েছে। ভারতীয়দের সম্পদ দখল করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। নন্দীগ্রাম বাংলাদেশ সীমান্ত নয়। তারপরও এখানে ঢুকিয়েছে। এটা কতটা বিপজ্জনক বুঝতে পারছেন?”
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভোট দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে শুভেন্দু বলেন, “আমরা কেন অভারতীয়দের নিয়ে চলব? আমার রেশন কেন ও খাবে? আমার ভোট ও কেন দেবে? বিদেশি লোকেদের ভোটে কেন আমি বিধায়ক হব? বিদেশি লোকেদের ভোটে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন? বিদেশি লোকেদের ভোটে কেন মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হবেন? ভারতীয়রা করবে। লড়াইটা ভারতীয়দের সঙ্গে অভারতীয়দের।” একইসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের সঙ্গে নিতে হবে।”
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী বেশ কিছুদিন ধরে এইসব এলোমেলো কথা বলছেন। পক্ষান্তরে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকেই গালাগালি দিচ্ছেন। তার কারণ, বাংলাদেশ থেকে আসা মানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে আসা। আর সীমান্ত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের নয়। সেই দায়িত্ব অমিত শাহের মন্ত্রকের। তাহলে সেই মন্ত্রক ব্যর্থ। নন্দীগ্রামে বাংলাদেশি ভোটার থাকার কথা একুশের নির্বাচনের সময় শুভেন্দু বলেননি। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বলছেন। ফলে এই সময়ের মধ্যে যদি বাংলাদেশ অনুপ্রবেশকারী নন্দীগ্রামে ঢুকে পড়েন, তাহলে সীমান্তে সুরক্ষা দায়িত্বে কারা রয়েছে। সেই অমিত শাহর মন্ত্রকই।”
নন্দীগ্রাম: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বাস করছে। রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে দেওয়া হচ্ছে। গত কয়েকমাসে বারবার এই অভিযোগ করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে সোমবার ফের সরব হলেন তিনি। এদিন পূর্ব মেদিনীপুরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে কেন তাঁরা জিতবেন?
এদিন নন্দীগ্রামে একাধিক জায়গায় কালীপুজোর অনুষ্ঠানের যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন। শাসকদলের নেতারা SIR নিয়ে নানা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। এই নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন বুঝে নেবে। আমাদের দায়িত্ব নজরদারি, চৌকিদারি করা।”
এরপরই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে সরব হন তিনি। এমনকি, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামেও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন। শুভেন্দু বলেন, “আমরা তো ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে বলছি না। নন্দীগ্রামে বাংলাদেশের মহিলা ধরা পড়েছে। নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ভোটার তালিকায় বাংলাদেশে থেকে মেয়েদের পটিয়ে নিয়ে এসে এখানে দ্বিতীয় বিয়ে, তৃতীয় বিয়ে করে রেখেছে। এখানে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকিয়েছে। ভারতীয়দের সম্পদ দখল করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। নন্দীগ্রাম বাংলাদেশ সীমান্ত নয়। তারপরও এখানে ঢুকিয়েছে। এটা কতটা বিপজ্জনক বুঝতে পারছেন?”
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভোট দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে শুভেন্দু বলেন, “আমরা কেন অভারতীয়দের নিয়ে চলব? আমার রেশন কেন ও খাবে? আমার ভোট ও কেন দেবে? বিদেশি লোকেদের ভোটে কেন আমি বিধায়ক হব? বিদেশি লোকেদের ভোটে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন? বিদেশি লোকেদের ভোটে কেন মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হবেন? ভারতীয়রা করবে। লড়াইটা ভারতীয়দের সঙ্গে অভারতীয়দের।” একইসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের সঙ্গে নিতে হবে।”
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী বেশ কিছুদিন ধরে এইসব এলোমেলো কথা বলছেন। পক্ষান্তরে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকেই গালাগালি দিচ্ছেন। তার কারণ, বাংলাদেশ থেকে আসা মানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে আসা। আর সীমান্ত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের নয়। সেই দায়িত্ব অমিত শাহের মন্ত্রকের। তাহলে সেই মন্ত্রক ব্যর্থ। নন্দীগ্রামে বাংলাদেশি ভোটার থাকার কথা একুশের নির্বাচনের সময় শুভেন্দু বলেননি। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বলছেন। ফলে এই সময়ের মধ্যে যদি বাংলাদেশ অনুপ্রবেশকারী নন্দীগ্রামে ঢুকে পড়েন, তাহলে সীমান্তে সুরক্ষা দায়িত্বে কারা রয়েছে। সেই অমিত শাহর মন্ত্রকই।”