Diamond Harbour: বাংলাদেশের জেলে বন্দি ছিলেন, দেশ ফিরলেন ওঁরা
১৯ অক্টোবর মাঝ সমুদ্রে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় সেটি ভাসতে ভাসতে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়ে। অনুপ্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশের নৌবাহিনী তাঁদের আটক করে এবং বাগেরহাট জেলা আদালতের নির্দেশে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।

ডায়মন্ড হারবার: তিন মাস পর বন্দিদশা থেকে মুক্তি। বাংলাদেশে আটক ১৪ ভারতীয় মৎস্যজীবী ফিরলেন দেশে। উৎকণ্ঠার অবসান। বাংলাদেশের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে অবশেষে নিজের দেশের মাটিতে পা রাখলেন ১৪ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্য বন্দরে তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, গত বছরের ১৩ অক্টোবর ‘এফবি শুভযাত্রা’ নামক ট্রলারে চড়ে কুলতলি থেকে ১৪ জন মৎস্যজীবী গভীর সমুদ্রে রওনা দেন।
১৯ অক্টোবর মাঝ সমুদ্রে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় সেটি ভাসতে ভাসতে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়ে। অনুপ্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশের নৌবাহিনী তাঁদের আটক করে এবং বাগেরহাট জেলা আদালতের নির্দেশে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। কূটনৈতিক আলোচনার পর গতকাল ভারত-বাংলাদেশ জলসীমায় দুই দেশের উপকূল রক্ষী বাহিনীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মৎস্যজীবীদের বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ভারত ২৩ জন মৎস্যজীবীকে ফিরে পায় এবং বিনিময়ে ১১৫ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে তাঁদের দেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীর মধ্যে ১৪ জন কাকদ্বীপ, কুলতলি ও হুগলির বাসিন্দা। বাকি ৯ জন অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। এদিন ফ্রেজারগঞ্জ বন্দরে কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক প্রীতম সাহা ও পুলিশ ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রিয়জনকে ফিরে পেয়ে মৎস্যজীবীদের পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা। দীর্ঘ সময় পর ঘরে ফিরতে পেরে আবেগাপ্লুত মৎস্যজীবীরাও সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
