Diamond Harbour: একেবারে কাছে এসে গেছে…., কপিল মুনির আশ্রমের কী হবে!
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, "আমরা তো এখানেই থাকি। নদী অনেকটা দূরেই ছিল। এখন ভেঙে সামনে চলে এসেছে। খুব ভয়ে ভয়ে আছি। কীভাবে থাকব বলুন তো...। কবে সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে কেউ বলতে পারে না। প্রতি বছর দুর্যোগ এলে এমন ঘটনা ঘটে। খুবই আতঙ্কে আছি।"

ডায়মন্ড হারবার: নিম্নচাপের জেরে বিপর্যস্ত উপকূলের জেলাগুলি। তার মধ্যে অন্যতম হল পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। উপকূলের জেলাগুলিতে তুমুল বৃষ্টিপাতের জন্য ভেসে গিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ ও অমাবস্যার ভরা কোটালের জেরে ফের ভয়াবহ ভাঙন গঙ্গাসাগরে। উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ে তছনছ হয়ে গিয়েছে কপিল মুনির আশ্রম সংলগ্ন সৈকত।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সমুদ্রের জলের তোড়ে এক থেকে পাঁচ নম্বর পর্যন্ত স্নানের ঘাট সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে। উপড়ে পড়েছে একাধিক বড় গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। জোয়ারের সময় জলস্তর অস্বাভাবিক বেড়ে আশ্রমের দিকে এগিয়ে আসায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভাঙন কবলিত এলাকায় সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের প্রবেশে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি পার্থ সরকার-সহ পুলিশ আধিকারিকরা সৈকতে টহল দিচ্ছেন। ২০২৭ সালের গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার মধ্যেই এই ভাঙন প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মেলার আগে ভাঙন রোধ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা তো এখানেই থাকি। নদী অনেকটা দূরেই ছিল। এখন ভেঙে সামনে চলে এসেছে। খুব ভয়ে ভয়ে আছি। কীভাবে থাকব বলুন তো…। কবে সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে কেউ বলতে পারে না। প্রতি বছর দুর্যোগ এলে এমন ঘটনা ঘটে। খুবই আতঙ্কে আছি।”
