
গোসাবা: প্রথম দফার ভোটের আগে মেরেকেটে আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। পারদ চড়ছে রাজনৈতিক আঙিনায়। এরইমধ্যে বড়সড় তৃণমূল (Trinamool Congress)। শোরগোল গোসাবার রাজনৈতিক আঙিনায়। বিপ্রদাসপুরের প্রাক্তন উপপ্রধান ও পাঠানখালি ৩৭ নম্বর বুথের অঞ্চল সহ সভাপতি-সহ ৫০ পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে। তালিকায় একাধিক প্রভাবশালী নেতা। বৃহস্পতিবার গোসাবার চণ্ডীপুরে আয়োজিত বিজেপির একটি কর্মী সভায় এই দলবদল চলে।
এদিনের এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উত্তর প্রদেশের ওবিসি মোর্চার সংগঠন মন্ত্রী তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওবিসি মোর্চার পর্যবেক্ষক জ্যোতি সোনি। তাঁর হাত ধরেই ঘাসফুল শিবির ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন বিপ্রদাসপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃণমূল উপপ্রধান অসীম মাহাতো। এছাড়াও দলবদল করেন পাঠানখালি অঞ্চলের ৩৭ নম্বর বুথের অঞ্চল সহ-সভাপতি অনুপ নাইয়া। দলত্যাগীদের তালিকায় ছিলেন পাঠানখালির দুই অঞ্চল নেতৃত্ব পবিত্র মণ্ডল ও মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডলও।
বিপ্রদাসপুর ও পাঠানখালি এলাকা থেকে আসা প্রায় ৫০টি পরিবার এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। এদিনের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন গোসাবার বিজেপি প্রার্থী বিকর্ণ নস্কর, জেলা নেতৃত্ব সঞ্জয় নায়েক, অনিমেষ মণ্ডল, তাপস মণ্ডল সহ অন্যান্য স্থানীয় কার্যকর্তারা। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিজেপি নেতারা। এধিকে ভোটের মুখে এই ভাঙনে স্বভাবতই গোসাবা বিধানসভার রাজনৈতিক আঙিনায় চাপানউতোর-চর্চা সবই শুরু হয়েছে পুরোদমে। বিজেপি নেতারা বলছেন, ভোটের মুখে এই দলবদল তাঁদের কর্মীদের মনোবল অনেকটাই বাড়াবে। অন্যদিকে তৃণমূল যদিও বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ। শাসকদলের নেতারা বলছেন এতে তাঁদের ভাঁড়ারে কোনও টানই পড়বে না। এখন এই দলবদল এবারের ভোটে কোনও প্রভাব ফেলে কিনা সেটা দেখার।