
মধ্যমগ্রাম: বুধবার রাতে আপ্তসহায়কের মৃত্যুর খবর পেয়েই মধ্যমগ্রামে ছুটে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের পর দেহ বের করার সময়ও সেখানে দেখা গেল শুভেন্দুকে। সঙ্গে আরও দুই বিজেপি সাংসদ ও অন্যান্য নেতারা। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু দাবি করলেন, ভবানীপুরে না জিতলে চন্দ্রনাথকে এভাবে খুন হতে হত না। চন্দ্রনাথের মৃত্যু ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে মন্তব্য করলেন শুভেন্দু।
শুভেন্দুর দাবি, ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে, সুপারি কিলার এনে খুন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “বিরোধী দলনেতার সরকারি এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে গুলি চালানো হয়েছে। ১০ বছর তিনি এয়ারফোর্সে কাজ করেছেন। এখন আমার মনে হচ্ছে, বাড়ির লোক হয়ত ভাবতেই পারেন, আমা সহায়ক না হতেন, আমি যদি ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে না হারাতাম, তাহলে ৩৮ বছরের যুবককে এভাবে চলে যেতে হত না। তাঁর অপরাধ ছিল, তিনি শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক।”
“গত ৩-৪ দিন ধরে রেইকি করে, যেভাবে পাঁচটি বুলেট তাঁর শরীরে বিদ্ধ করা হয়েছে, যেভাবে তাঁর বুকের স্কেচ তৈরি করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তাতে নিন্দা আর দুঃখপ্রকাশ করার ভাষা পাচ্ছি না।”
শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, অমিত শাহ থেকে নিতিন নবীন প্রত্যেকেই বুধবার থেকে চন্দ্রনাথের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সদস্যরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
শুভেন্দুর বক্তব্য, সরাসরি কোনও রাজনৈতিক পরিচয় নেই চন্দ্রনাথের। কখনও কনও মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাউকে আক্রমণ করেননি। তবে চন্দ্রনাথের মা বিজেপি নেত্রী। শুভেন্দু বলেন, “আমার দায়িত্ব, ওঁর কন্যাসন্তান ও স্ত্রীকে দেখা। পরিবারের দাবি, অতি দ্রুত খুনীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা, এটাও আমার দায়িত্ব।”
শুভেন্দু জানান, সিআইডি ও সিট তদন্ত করবে। ইতিমধ্য়ে তদন্ত এগিয়েছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। ঘটনাস্থল থেকে চার কিলোমিটার দূরে উদ্ধার হয়েছে একটি সন্দেহজনক বাইক।