মালদহ: বিজেপিকে (BJP) কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে গিয়ে সব সীমা অতিক্রম করলেন তৃণমূল বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সী। তাঁর হুঁশিয়ারি, এলাকায় বিজেপি করলে সামাজিক বয়কট করা হবে। এমনকী, বিজেপির পতাকা ছিড়ে নিদান, সাংসদকেও পেটানোর নিদান দিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার।
বাঙালি অস্মিতা ইস্যুতে আগেই সরব হয়েছিল তৃণমূল। সেই মতো মালদহের মালতিপুর বিধানসভার এনায়েতনগরে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ভিন রাজ্যে বাঙালিদের উপর আক্রমণ এবং বাংলা ভাষার অপমান নিয়ে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি আবদুর রহিম বক্সি, জেলা পরিষদ সদস্য আবদুল হাই, জেলা পরিষদ সদস্যা রেহেনা পারভীন প্রমুখ। সেখানেই মঞ্চ থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন বক্সি।
শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে নাম না করে তিনি বলেন, “যে বিজেপি বিধায়ক বিধানসভায় বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলছে তাঁর গলায় এমন ভাবে অ্যাসিড ঢালব যাতে কণ্ঠ বন্ধ হয়ে যায়।” তাঁর সংযোজন, “বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলার লোক খুন হচ্ছে। এখানে যাঁরা বিজেপি করছেন, প্রতিবাদ করছে না তাঁদের জন্য বলছি, এলাকায় বিজেপি করা যাবে না। মানুষকে বলব বয়কট করুন। বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে দিন।”
বস্তুত, যে সময় বক্সী এই হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন, সেই সময় আবার চাঁচল থানায় বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। এ দিন, এই কর্মসূচিকেও ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে মন্তব্য করেন তৃণমূল বিধায়ক। এমনকী, বিজেপি সাংসদকে পেটানোর হুমকিও দেন তিনি।
যদিও নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জেলা সভাপতির দাবি, “আমি কোনও অগণতান্ত্রিক বক্তব্য রাখিনি।”এই নিয়ে পাল্টা তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
মালদহ: বিজেপিকে (BJP) কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে গিয়ে সব সীমা অতিক্রম করলেন তৃণমূল বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সী। তাঁর হুঁশিয়ারি, এলাকায় বিজেপি করলে সামাজিক বয়কট করা হবে। এমনকী, বিজেপির পতাকা ছিড়ে নিদান, সাংসদকেও পেটানোর নিদান দিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার।
বাঙালি অস্মিতা ইস্যুতে আগেই সরব হয়েছিল তৃণমূল। সেই মতো মালদহের মালতিপুর বিধানসভার এনায়েতনগরে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ভিন রাজ্যে বাঙালিদের উপর আক্রমণ এবং বাংলা ভাষার অপমান নিয়ে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি আবদুর রহিম বক্সি, জেলা পরিষদ সদস্য আবদুল হাই, জেলা পরিষদ সদস্যা রেহেনা পারভীন প্রমুখ। সেখানেই মঞ্চ থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন বক্সি।
শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে নাম না করে তিনি বলেন, “যে বিজেপি বিধায়ক বিধানসভায় বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলছে তাঁর গলায় এমন ভাবে অ্যাসিড ঢালব যাতে কণ্ঠ বন্ধ হয়ে যায়।” তাঁর সংযোজন, “বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলার লোক খুন হচ্ছে। এখানে যাঁরা বিজেপি করছেন, প্রতিবাদ করছে না তাঁদের জন্য বলছি, এলাকায় বিজেপি করা যাবে না। মানুষকে বলব বয়কট করুন। বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে দিন।”
বস্তুত, যে সময় বক্সী এই হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন, সেই সময় আবার চাঁচল থানায় বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। এ দিন, এই কর্মসূচিকেও ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে মন্তব্য করেন তৃণমূল বিধায়ক। এমনকী, বিজেপি সাংসদকে পেটানোর হুমকিও দেন তিনি।
যদিও নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জেলা সভাপতির দাবি, “আমি কোনও অগণতান্ত্রিক বক্তব্য রাখিনি।”এই নিয়ে পাল্টা তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি।