AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

North Dinajpur: খুনে অভিযুক্ত, জামিন পেতেই তৃণমূল নেতাকে মালা পরিয়ে মিছিল

TMC leader welcomed with garlands after getting bail: স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ২০১৮ সালের খুনের মামলায় নাম জড়ানোর পাশাপাশি ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধীদের হুমকি দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একাধিক অভিযোগও অতীতে সামনে এসেছে।

North Dinajpur: খুনে অভিযুক্ত, জামিন পেতেই তৃণমূল নেতাকে মালা পরিয়ে মিছিল
তৃণমূল নেতা জিয়াউল হকImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 29, 2026 | 3:18 PM
Share

চোপড়া: খুনের মামলার অভিযুক্ত। কিন্তু, তৃণমূল নেতা জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরতেই মালা পরিয়ে বরণ করে নিলেন কর্মীরা। হল মিছিলও। বাজি ফাটানো হয়। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। মঙ্গলবার সন্ধেয় এই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, তাদের দলের নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল।

চোপড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জিয়াউল হক। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের একটি খুনের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুরনো বিভিন্ন মামলার তদন্তে গতি আসতেই জিয়াউল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

গত ২৯ জুন ইসলামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন জিয়াউল হক। এরপর তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। তদন্তের স্বার্থে ৬ জুলাই পুলিশ তাঁকে নিয়ে চোপড়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। সেই সময় বহু সাধারণ মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। অভিযুক্তকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় এবং ‘চোর’ স্লোগানও ওঠে ।

প্রায় এক মাস জেল হেফাজতে থাকার পর মঙ্গলবার তিনি জামিনে মুক্তি পান। আর মুক্তি পাওয়ার পরই তাঁকে ঘিরে প্রকাশ্য সংবর্ধনা ও মিছিলের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। খুনের মামলার এক অভিযুক্তকে এভাবে প্রকাশ্যে সংবর্ধনা দেওয়া কতটা শোভন, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

কে এই জিয়াউল হক?

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ২০১৮ সালের খুনের মামলায় নাম জড়ানোর পাশাপাশি ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধীদের হুমকি দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একাধিক অভিযোগও অতীতে সামনে এসেছে। এমনকি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্য মিছিল থেকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ধোলাইয়ের কড়া হুমকি দেওয়ার ভিডিয়োও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।

এই পরিস্থিতিতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জিয়াউল হককে ঘিরে প্রকাশ্য উচ্ছ্বাস ও মিছিলের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক দানা বাঁধছে চোপড়ায়। যদিও জিয়াউল হক দাবি করেন, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে জড়ো হয়েছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে, তৃণমূলকে কটাক্ষ করে জেলা বিজেপির সহ সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, খুনে অভিযুক্ত একজনকে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে। রাস্তা ঘিরে এভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হলেও পুলিশ কেন কোনও ব্যবস্থা নিল না, তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

Follow Us