ভোটপ্রচারে রেজিনগরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কী কী বললেন ?
কয়েকদিন আগে একটি দুর্ঘটনায় ফুটফুটে বাচ্চার বেদনাদায়ক মৃত্যু ঘটেছিল। তার পরিবারের কাছে গিয়ে পিতা-মাতার সঙঅগে সাক্ষাৎ করে এসছি। নির্বাচনী বিধি থাকায় সরকারিভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারছি না। বিধি উঠে যাওয়ার পর পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার সর্বতোভাবে দাঁড়াবে।
শুধু সময়ের অপেক্ষা। তিনিও বিধানসভায় আমার সঙ্গে প্রবেশ করবেন। তিনি শাখারভ সরকার। কেউ আটকাতে পারবে না। রেজিনগর সরকারের সঙ্গে থাকবে। রেজিনগরের মানুষ সাম্প্রদায়িক বিভাজন নয়, তাঁরা উন্নয়ন চায়। পাঁচ মাস হয়েছে। ২০৭ বিধায়ক আছি আমরা। নন্দীগ্রাম নিয়ে তো কোনও সংশয় নেই। ৫০ হাজার হবে নাকি এক লক্ষ হবে নাকি ফলতাকে পার করে যাবে, তার অপেক্ষায় আছে নন্দীগ্রাম। ওই গ্রামের ছোট্ট ফুটফুটে শিশুটি মারা গিয়েছে, তার বাড়ি থেকে শুরু করেছিলাম। আমি দুই ঘণ্টা জনসংযোগ করতে করতে এসেছি। শুধু জনসংযোগ নয়, সমাধিস্থলও দর্শন করে এসেছি। গ্রামের পর গ্রাম যে সংখ্যালঘুরা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, বলেছে আমরা ভোট নষ্ট করব না। এই রাজ্যে ৩৪ বছর শাসন করা লালবাবুরা বিধানসভায় কত সবেধন নীলমনি এক। এই রাজ্যকে ২৫ বছর শাসন করা বিধানসভায় কত মাত্র দুই। অন্যদিকে ১৫ বছর রাজ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে যিনি, সেই তৃণমূল কংগ্রেস। গণনার দিন ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে ভবানীপুরে হারালাম। রাত তখন ৯টা ৪৫। সার্টিফিকেট নিয়ে হলদিয়ার উদ্দেশে বেরোলাম। নন্দীগ্রামে সার্টিফিকেট নিয়েছি রাত একটায়। ৪ মে পেরিয়ে ৫ মে মধ্যরাত্রি। সেদিন বলেছিলাম, এই তৃণমূলের নাম ও নিশান থাকবে না। একশো পঞ্চাশ দিনে জোড়াফুলও নেই, তৃণমূলও নেই। ২৮ জন সাংসদ, ২০ জন বলে আমাদের নেতা অন্য, তাঁরা অন্যদিকে হাঁটে। ৮০জন বিধায়ক, ৬৪ জন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি না। নির্বাচন কমিশন বলে কাকে প্রতীক দেওয়া যায়, কে আসল, কে নকল, একজনের নাম হয়েছে মমতা এআইটিসি গরুর গাড়ির হেডলাইট, আরেকটার নাম হয়েছে ডিটিএমসি। গোটা রেজিনগর কেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গে এদের নাম ও নিশান থাকবে না। পাপের ফল, চাকরি চুরি, মনরেগার টাকা চুরি, আবাস চুরি, সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান, বেলডাঙা, এত বেকার, শিল্প ধ্বংস তার জন্য উপরওয়ালার মার। নামও নেই, নিশানও নেই।
বাকি কে থাকল, বাকি থাকল একজন। তিনি বলছেন অজিত পাওয়ার প্লেন অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেল, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী নাকি আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রতি শুক্রবার ওপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করব যাতে পৃথিবী থেকে তুলে নেয়। এই লোককে ভোট দেবেন? আমরা শত্রু হলেও এই ধরনের কথা মুখে আনি না। রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, লড়াই হবে, বাক্য বিনিময় হবে, তর্ক হবে, আলোচনা-সমালোচনা হবে, একজন জিতবে, অন্যরা হারবে। আর এখানে হুমায়ুন সাহেব বলছেন, আমি প্রতি শুক্রবার প্রার্থনা করছি, যাতে ওপরওয়ালা তাড়াতাড়ি মুখ্যমন্ত্রীকে অজিত পাওয়ারের মতো তুলে নেয়। আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম। আপনার লোকরাই আপনার কাছ থেকে সরে গিয়েছে। কংগ্রেসকে ছুরি মেরেছেন অধীর চৌধুরীকে। আপনি যখন মন্ত্রী ছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বলেছি বিধায়ক চাইছেন নাকি মন্ত্রী চাইছেন, সেদিন রেজিনগরের লোক আপনাকে হারিয়েছিল। আপনাকে আশ্রয় দিয়েছিল মুকুল রায়। আপনি বিজেপির সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। শেষ আশ্রয় ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আপনিও বিভাজনের রাজনীতি করে ধর্মীয় স্থানকে সামনে রেখে আপনি আপনার রাজনীতি করেছেন। বিধানসভায় উনি গিয়েছেন নওদা থেকে। এই পাঁচ মাসে নওদা থেকে একটা ইটও দিতে পারেননি। আগামী ৫৫ মাসও পারবেন না। ভোট দেবেন কেন?
আগামী ৫ থেকে ৮ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ১৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের এক বিপুল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী। সম্প্রতি এই মেগা প্রকল্প ও বিনিয়োগ রোডম্যাপ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। এই সুবিশাল বিনিয়োগ পরিকল্পনার অধীনে মূলত তিনটি ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত পড়ুন: ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের পরিকল্পনা! বাংলায় নেউটিয়া গোষ্ঠীর বড় উদ্যোগ
ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের সাম্প্রতিক বৈঠকে এক তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হলো। বৈঠকে বাম নেতাদের প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে নিজের নমনীয় অবস্থান স্পষ্ট করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, কনস্টিটিউশন ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি সিভিল সোসাইটি ও বুদ্ধিজীবীদেরও একজোট করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন: প্যাঁচে পড়েছেন মমতা, সব হারিয়ে শেষে বামদেরই প্রস্তাবে সাড়া মমতার
পার্টি অফিসে ভাঙচুর, অনুব্রত মন্ডলের পাঞ্জাবির কলার ধরলেও তিন যুবকের বিরুদ্ধে সিউড়ি থানার পুলিশের কাছে দায়ের হল না কোনও অভিযোগ। ফলে ছাড়া পেয়ে গেল তিন জন। পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন: দায়েরই হল না কোনও অভিযোগ, অনুব্রতর ওপর চড়াও হয়েও ছাড়া পেয়ে গেলেন ৩ জন
পার্টি অফিসে ভাঙচুর, অনুব্রত মন্ডলের পাঞ্জাবির কলার ধরলেও তিন যুবকের বিরুদ্ধে সিউড়ি থানার পুলিশের কাছে দায়ের হল না কোনও অভিযোগ। ফলে ছাড়া পেয়ে গেল তিন জন। পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। এদিকে, আজ আলিপুরদুয়ারে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ রাজ্যের সমস্ত খবর দেখুন এক নজরে…
ভোটপ্রচারে রেজিনগরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কী কী বললেন ?
কয়েকদিন আগে একটি দুর্ঘটনায় ফুটফুটে বাচ্চার বেদনাদায়ক মৃত্যু ঘটেছিল। তার পরিবারের কাছে গিয়ে পিতা-মাতার সঙঅগে সাক্ষাৎ করে এসছি। নির্বাচনী বিধি থাকায় সরকারিভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারছি না। বিধি উঠে যাওয়ার পর পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার সর্বতোভাবে দাঁড়াবে।
শুধু সময়ের অপেক্ষা। তিনিও বিধানসভায় আমার সঙ্গে প্রবেশ করবেন। তিনি শাখারভ সরকার। কেউ আটকাতে পারবে না। রেজিনগর সরকারের সঙ্গে থাকবে। রেজিনগরের মানুষ সাম্প্রদায়িক বিভাজন নয়, তাঁরা উন্নয়ন চায়। পাঁচ মাস হয়েছে। ২০৭ বিধায়ক আছি আমরা। নন্দীগ্রাম নিয়ে তো কোনও সংশয় নেই। ৫০ হাজার হবে নাকি এক লক্ষ হবে নাকি ফলতাকে পার করে যাবে, তার অপেক্ষায় আছে নন্দীগ্রাম। ওই গ্রামের ছোট্ট ফুটফুটে শিশুটি মারা গিয়েছে, তার বাড়ি থেকে শুরু করেছিলাম। আমি দুই ঘণ্টা জনসংযোগ করতে করতে এসেছি। শুধু জনসংযোগ নয়, সমাধিস্থলও দর্শন করে এসেছি। গ্রামের পর গ্রাম যে সংখ্যালঘুরা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, বলেছে আমরা ভোট নষ্ট করব না। এই রাজ্যে ৩৪ বছর শাসন করা লালবাবুরা বিধানসভায় কত সবেধন নীলমনি এক। এই রাজ্যকে ২৫ বছর শাসন করা বিধানসভায় কত মাত্র দুই। অন্যদিকে ১৫ বছর রাজ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে যিনি, সেই তৃণমূল কংগ্রেস। গণনার দিন ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে ভবানীপুরে হারালাম। রাত তখন ৯টা ৪৫। সার্টিফিকেট নিয়ে হলদিয়ার উদ্দেশে বেরোলাম। নন্দীগ্রামে সার্টিফিকেট নিয়েছি রাত একটায়। ৪ মে পেরিয়ে ৫ মে মধ্যরাত্রি। সেদিন বলেছিলাম, এই তৃণমূলের নাম ও নিশান থাকবে না। একশো পঞ্চাশ দিনে জোড়াফুলও নেই, তৃণমূলও নেই। ২৮ জন সাংসদ, ২০ জন বলে আমাদের নেতা অন্য, তাঁরা অন্যদিকে হাঁটে। ৮০জন বিধায়ক, ৬৪ জন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানি না। নির্বাচন কমিশন বলে কাকে প্রতীক দেওয়া যায়, কে আসল, কে নকল, একজনের নাম হয়েছে মমতা এআইটিসি গরুর গাড়ির হেডলাইট, আরেকটার নাম হয়েছে ডিটিএমসি। গোটা রেজিনগর কেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গে এদের নাম ও নিশান থাকবে না। পাপের ফল, চাকরি চুরি, মনরেগার টাকা চুরি, আবাস চুরি, সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান, বেলডাঙা, এত বেকার, শিল্প ধ্বংস তার জন্য উপরওয়ালার মার। নামও নেই, নিশানও নেই।
বাকি কে থাকল, বাকি থাকল একজন। তিনি বলছেন অজিত পাওয়ার প্লেন অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেল, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী নাকি আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রতি শুক্রবার ওপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করব যাতে পৃথিবী থেকে তুলে নেয়। এই লোককে ভোট দেবেন? আমরা শত্রু হলেও এই ধরনের কথা মুখে আনি না। রাজনীতির ময়দানে লড়াই হয়, লড়াই হবে, বাক্য বিনিময় হবে, তর্ক হবে, আলোচনা-সমালোচনা হবে, একজন জিতবে, অন্যরা হারবে। আর এখানে হুমায়ুন সাহেব বলছেন, আমি প্রতি শুক্রবার প্রার্থনা করছি, যাতে ওপরওয়ালা তাড়াতাড়ি মুখ্যমন্ত্রীকে অজিত পাওয়ারের মতো তুলে নেয়। আমি বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার হাতে তুলে দিয়ে গেলাম। আপনার লোকরাই আপনার কাছ থেকে সরে গিয়েছে। কংগ্রেসকে ছুরি মেরেছেন অধীর চৌধুরীকে। আপনি যখন মন্ত্রী ছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বলেছি বিধায়ক চাইছেন নাকি মন্ত্রী চাইছেন, সেদিন রেজিনগরের লোক আপনাকে হারিয়েছিল। আপনাকে আশ্রয় দিয়েছিল মুকুল রায়। আপনি বিজেপির সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। শেষ আশ্রয় ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আপনিও বিভাজনের রাজনীতি করে ধর্মীয় স্থানকে সামনে রেখে আপনি আপনার রাজনীতি করেছেন। বিধানসভায় উনি গিয়েছেন নওদা থেকে। এই পাঁচ মাসে নওদা থেকে একটা ইটও দিতে পারেননি। আগামী ৫৫ মাসও পারবেন না। ভোট দেবেন কেন?
আগামী ৫ থেকে ৮ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ১৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের এক বিপুল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী। সম্প্রতি এই মেগা প্রকল্প ও বিনিয়োগ রোডম্যাপ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। এই সুবিশাল বিনিয়োগ পরিকল্পনার অধীনে মূলত তিনটি ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত পড়ুন: ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের পরিকল্পনা! বাংলায় নেউটিয়া গোষ্ঠীর বড় উদ্যোগ
ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের সাম্প্রতিক বৈঠকে এক তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হলো। বৈঠকে বাম নেতাদের প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে নিজের নমনীয় অবস্থান স্পষ্ট করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, কনস্টিটিউশন ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি সিভিল সোসাইটি ও বুদ্ধিজীবীদেরও একজোট করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন: প্যাঁচে পড়েছেন মমতা, সব হারিয়ে শেষে বামদেরই প্রস্তাবে সাড়া মমতার
পার্টি অফিসে ভাঙচুর, অনুব্রত মন্ডলের পাঞ্জাবির কলার ধরলেও তিন যুবকের বিরুদ্ধে সিউড়ি থানার পুলিশের কাছে দায়ের হল না কোনও অভিযোগ। ফলে ছাড়া পেয়ে গেল তিন জন। পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন: দায়েরই হল না কোনও অভিযোগ, অনুব্রতর ওপর চড়াও হয়েও ছাড়া পেয়ে গেলেন ৩ জন
পার্টি অফিসে ভাঙচুর, অনুব্রত মন্ডলের পাঞ্জাবির কলার ধরলেও তিন যুবকের বিরুদ্ধে সিউড়ি থানার পুলিশের কাছে দায়ের হল না কোনও অভিযোগ। ফলে ছাড়া পেয়ে গেল তিন জন। পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। এদিকে, আজ আলিপুরদুয়ারে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ রাজ্যের সমস্ত খবর দেখুন এক নজরে…