
ঢাকা : প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। সেদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন, দুপুরে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের ঢাকা-সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল। প্রায় দুই দফায় কম্পন অনুভূত হয় বলে খবর। এই মুহূর্তে কী পরিস্থিতি বাংলাদেশে? কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেদেশে?
বাংলাদেশের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, দুপুর ১টা ৫২ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। প্রায় কয়েক সেকেণ্ড ধরে কম্পন স্থায়ী হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। কম্পনের তীব্রতায় আতঙ্ক ছড়ায়। ভয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন মানুষজন। তবে, এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তবে, দু’দিন আগেও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। বুধবার রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.১। তবে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মায়ানমার। ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবারও ঢাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে প্রায়ই ছোট ও মাঝারি ভূমিকম্প হচ্ছে। কেন বারবার ভূমিকম্প ? রয়েছে কোনও অশনি সঙ্কেতের বার্তা ?
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের পাশাপাশি শুক্রবার দুপুরে প্রবল ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে কলকাতায়। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয় কম্পন। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৫। কলকাতা নয়, তার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, সুন্দরবনেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।