AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Explosion in Pakistan: জুম্মার নমাজের সময় শিয়াদের মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! কাঁপছে পাকিস্তান

Explosion in Pakistan Imambargah: সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানে অতীতেও এমন বেশ কয়েকবার হামলার ঘটনা ঘটেছি। খাইবার পাখতুনখোয়া এব পাক পঞ্জাব প্রদেশে হামলা চালিয়েছিল সুন্নি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি। ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ তালিবানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

Explosion in Pakistan: জুম্মার নমাজের সময় শিয়াদের মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! কাঁপছে পাকিস্তান
পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ Image Credit: সংগৃহিত (Social Media)
| Updated on: Feb 06, 2026 | 7:17 PM
Share

ইসলামাবাদ: আবার বিস্ফোরণ, জুম্মার নমাজের সময় ভয়াবহ হামলা শিয়াদের মসজিদে। তাও আবার একেবারে পাকিস্তানের প্রাণকেন্দ্রে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানী ইসলামাবাদের শেহজাদ টাউন এলাকায় স্থিতু শিয়া টারলাই ইমামবাড়ার শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হয় ৩১ জন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও টিভি অনুযায়ী, ওই শিয়া মসজিদের নমাজস্থলকে টার্গেট করেছিল আত্মঘাতী বোমারু। কিন্তু তা সফল হয়নি।

ইসলামাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, ওই আত্মঘাতী বোমারুকে ইমামবাড়ার প্রবেশপথের সামনে থামানো হয়েছিল। সেই সময় ‘সুইসাইড ভেস্ট’ পরা ওই জঙ্গি নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এই ঘটনার পরেই তদন্তে নেমেচে ইসলামাবাদ পুলিশ। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বেশ কয়েকটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মসজিদের এদিক-সেদিকে ছড়িয়ে রয়েছে রক্তাক্ত দেহ।

রয়টার্সকে ইসলামাবাদের এক পুলিশ আধিকারিক জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেহ ও জখম ব্যক্তিদের হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা করে দিয়েছি। সঠিক ভাবে বলতে পারব না, এই ঘটনায় ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ দেহই নিষ্প্রাণ মনে হল।‘ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় সংশ্লিষ্ট মসজিদে উপস্থিত ছিলেন ৫০০ জনের অধিক। সুতরাং, মৃত্যুর সংখ্যা যে আরও বাড়তে পারে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

উল্লেখ্য, সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানে অতীতেও এমন বেশ কয়েকবার হামলার ঘটনা ঘটেছি। খাইবার পাখতুনখোয়া এব পাক পঞ্জাব প্রদেশে হামলা চালিয়েছিল সুন্নি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি। ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ তালিবানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। পাশাপাশি, গোটা ঘটনাকে যুদ্ধপরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।