
ঢাকা: কেন চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুকে জামিন দেওয়া হবে না? ইউনূস সরকারের কাছে হলফনামা তলব করল ঢাকার উচ্চ আদালত। এদিন ঢাকা হাইকোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়েন সরকার পক্ষের আইনজীবীরা। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে বলে জানিয়ে দিলেন ঢাকা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
ঠিক কী নির্দেশ হাইকোর্টের?
গত ২৫ নভেম্বর থেকে গরাদের পিছনে ঠাঁই হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণের। শরীরও ভেঙেছে আগের থেকে অনেকটা। কিন্তু তাতেও জামিন পাননি তিনি। বরং, দিন প্রতিদিন আরও বেড়ে গিয়েছে মামলার জটিলতা।
সম্প্রতি, চট্টগ্রামে মহানগর দায়রা আদালতে ধাক্কা খেয়ে উচ্চ আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণের জামিন চেয়ে দ্বারস্থ হন আইনজীবীরা। এদিন সেই মামলার ভিত্তিতেই ছিল শুনানি। চিন্ময় প্রভুর তরফে ছিলেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য ও প্রবীর রঞ্জন হালদার। অন্য দিকে, সরকার পক্ষের তরফে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক হক ও অর্সাদুর রউফ।
বেশ খানিক সময় বাদানুবাদ চলার পর চিন্ময় কৃষ্ণকে জামিন না দেওয়ার প্রসঙ্গে ইউনূস সরকারের কাছে হলফনামা তলব করেন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তাঁদের নির্দেশ, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে সরকার পক্ষ জবাবদিহি করতে হবে।
যেখানে সরকার তরফে এখনও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা চিন্ময় কৃষ্ণের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়নি, সেখানে দাঁড়িয়ে কীভাবেই বা তাঁকে এত দিন বন্দি করে রাখা হয়েছে? প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল। জানা যায়, চিন্ময় কৃষ্ণের বিরুদ্ধে সর্ব প্রথম রাষ্ট্র অবমাননা মামলা দায়ের করেন এক বিএনপি নেতা। পরবর্তীতে সেই দল থেকে বহিষ্কৃত করা হয় বলেও জানা যায়। আর সেই মামলার ভিত্তিতে কীভাবেই এখন এতটা টানাপোড়েনের মধ্যে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের এই হিন্দু সন্ন্যাসীকে? অবশ্য, এদিনের শুনানির পর চিন্ময় কৃষ্ণ জামিন মামলায় আশার আলো দেখছেন বলেই দাবি একাংশের।