MEA Hits Mamdani: ‘কাজে মন দিন…’, বামমনস্ক মামদানিকে কড়া কথা শোনাল নয়াদিল্লি
India Slams Mamdani: গতবছর আমেরিকায় গিয়ে মামদানির সঙ্গে দেখা করেন উমরের বাবা-মা। সেই সময় উমরের উদ্দেশে এই চিঠিটি লিখেছিলেন নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত ভারতীয় বংশোদ্ভুত মেয়র। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে উমরের জামিন মামলার শুনানির কিছুদিন আগে সেই চিঠি নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন উমরের বান্ধবী বনজোৎস্না লাহিড়ী।

নয়াদিল্লি: নতুন বছরে নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে শপথগ্রহণের পরেই জোহরান মামদানির মুখে শোনা গিয়েছিল ভারতের জেলে দিল্লি হিংসার ঘটনায় বন্দি থাকা জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী উমর খালিদের কথা। তাঁর কথা স্মরণ করে একটি চিঠি লিখেছিলেন মামদানি। তাতেই অসন্তুষ্ট হয়েছে নয়াদিল্লি। শুক্রবার বিকালে প্রথামফিক সাংবাদিক বৈঠকে এই চিঠির প্রসঙ্গে মুখ খোলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
মামদানির নাম উচ্চারণ না করেই রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আশা করি, জনপ্রতিনিধিরা অন্য দেশের গণতন্ত্র ও বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যাঁরা এমন একটি পদে রয়েছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত পক্ষপাত প্রকাশ করা শোভা পায় না। তাই এই ধরনের মন্তব্য না করে তাদের উচিত প্রাপ্ত দায়িত্বগুলিতে মনোনিবেশ করা।”
গতবছর আমেরিকায় গিয়ে মামদানির সঙ্গে দেখা করেন উমরের বাবা-মা। সেই সময় উমরের উদ্দেশে এই চিঠিটি লিখেছিলেন নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত ভারতীয় বংশোদ্ভুত মেয়র। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে উমরের জামিন মামলার শুনানির কিছুদিন আগে সেই চিঠি নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন উমরের বান্ধবী বনজোৎস্না লাহিড়ী। তারপর থেকে শুরু হয় বিতর্ক। চিঠিতে ঠিক কী লিখেছিলেন মামদানি?
উমরের উদ্দেশে নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র লিখেছিলেন, “প্রিয় উমর, আজ খুব তিক্ততার সঙ্গেই তোমার কথা মনে পড়ে। স্মৃতিতে ফিরে আসা তোমার বলা কথাগুলো। তুমি সব সময় বলতে, তিক্ততা যেন অন্তরকে না গ্রাস করে। সত্যি কথাগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। তোমার বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা হল, খুব ভালো লেগেছে।” এবার সেই চিঠিকে ঘিরেই নয়াদিল্লির কড়া কথার মুখে পড়তে হল সুদূর নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে।
