Khamenei Slams Trump: বন্ধ ইন্টারনেট, অগ্নিগর্ভ ইরান! ‘নিজের দেশে নজর দিন’, খামেনেইয়ের নিশানায় ট্রাম্প
Iran Unrest News: এদিন তিনি বলেন, 'আপনি নিজের দেশের দিকে বেশি মনোযোগ দিন। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলি নিয়ে ভাবুন।' একইসঙ্গে বিক্ষোভকারীদেরও সতর্ক করেছেন খামেনেই। তাঁর বার্তা, 'অন্য় দেশের প্রেসিডেন্টকে খুশি করার জন্য নিজের দেশে ধ্বংসলীলা চালাবেন না।'

নয়াদিল্লি: ‘মাথা নত করব না!’, শুক্রবার বিকালে সাফ বার্তা ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সামনেও ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র’ পিছু হটবে না বলেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। পাশাপাশি, ট্রাম্পকেও ‘নাক না-গলানোর’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
গত ২৭ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী, তেহরানের দোকানদারেরা দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ক্রমে সেদেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকেও ওঠে হুঙ্কার। ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আগুন। প্রাথমিক ভাবে দেশের আর্থিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখেই খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলন চালায় একাংশের ক্ষিপ্ত জনতা। পাল্টা বিক্ষোভ রুখতে দেশের জায়গায় জায়গায় সেনা-পুলিশ মোতায়েন করে খামেনেই সরকার। যার জেরে প্রাণ যায় ৩৬ জন প্রতিবাদীর।
এরপরেই মাঠে নামেন ট্রাম্প। বিক্ষোভকারীদের গায়ে হাত তোলা যাবে না বলেই প্রথমে হুঙ্কার দেন তিনি। বৃহস্পতিবার আবার সুর সপ্তমে তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরান প্রসাশন যদি এই ভাবেই মানুষ মারতে শুরু করে, তা হলে আমরা তাদের উপর আক্রমণ চালাব।’ যার জেরেও আরও পারদ চড়ে দুই দেশের অন্দরে। শুক্রবার ট্রাম্পকে আবার পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
এদিন তিনি বলেন, ‘আপনি নিজের দেশের দিকে বেশি মনোযোগ দিন। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলি নিয়ে ভাবুন।’ একইসঙ্গে বিক্ষোভকারীদেরও সতর্ক করেছেন খামেনেই। তাঁর বার্তা, ‘অন্য় দেশের প্রেসিডেন্টকে খুশি করার জন্য নিজের দেশে ধ্বংসলীলা চালাবেন না।’
বন্ধ ইন্টারনেট
আর্থিক পরিস্থিতির বিরোধিতা করে শুরু হওয়া বিক্ষোভে লেগে গিয়েছে রাজনৈতিক রঙ। ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির (প্রাক্তন শাসক রেজা শাহ পালভির পুত্র) সমর্থনে ইতিমধ্য়ে উঠেছে স্লোগান। তারপরেই ইরান জুড়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছে ইন্টারনেট এবং টেলিফোন। কিন্তু তারপরেও থামেনি প্রতিবাদ। আরও অগ্নিগর্ভ ইরান।
