Hormuz Oil Tanker Attack: হরমুজের কাছে তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা আমেরিকার, ভারতীয় নাবিকদের বিপদ বুঝেই ছুটল নৌসেনা, রুদ্ধশ্বাস অভিযানে কী হল তারপর?
Indian Navy Rescue Operation: মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ড বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ওই তেলের ট্যাঙ্কারটি মার্কিন ব্লকেড টপকানোর চেষ্টা করেছিল, তাই সেটিকে প্রতিহত করা হয়েছে। মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থেকে এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট দিয়েই এই নিখুঁত হামলা চালানো হয়।

নয়া দিল্লি: ভারতীয় নাবিকদের নিয়ে আসা জাহাজে হামলা মার্কিন সেনার। আমেরিকা সেই হামলার কথা স্বীকারও করে নিল। ওমানের উপকূলে একটি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা করে মার্কিন সেনা। ওই জাহাজে ২৪ জন ভারতীয় ক্রু সদস্য ছিল বলেই জানা গিয়েছে। কী অবস্থা তাদের?
আমেরিকা জানিয়েছে, ওই তেলের জাহাজটি মার্কিন বাধা এড়িয়ে ইরানের বন্দরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সেই কারণেই এই হামলা করা হয়। এমটি মারিভেক্স নামক পালাউয়ের জাহাজটি হরমুজ প্রণালীর কাছে ছিল, সেই সময় হামলা চলে। সঙ্গে সঙ্গে জাহাজে আগুন ধরে যায়। সতর্কতাবশেই জাহাজের ক্রু-দের নামিয়ে আনা হয়।
উদ্ধার করল নৌসেনা-
জানা গিয়েছে, এসওএস (SOS) বা বিপদ সিগন্যাল পেতেই ভারতীয় নৌসেনার হেলিকপ্টার গিয়ে সকল ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ড বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ওই তেলের ট্যাঙ্কারটি মার্কিন ব্লকেড টপকানোর চেষ্টা করেছিল, তাই সেটিকে প্রতিহত করা হয়েছে। মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থেকে এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট দিয়েই এই নিখুঁত হামলা চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতেই পাল্টা জবাবে আমেরিকাও ইরানের বন্দরগামী সমস্ত জলপথ বন্ধ করে দেয় যাতে কোনও জাহাজ ইরানের বন্দরে ঢুকতে বা বেরতে না পারে। ওই জলপথে অন্য কোনও দেশ বা বন্দরে গেলে, সেক্ষেত্রে জাহাজ আটকানো হচ্ছে না। এপ্রিলের গোড়া থেকে এখনও পর্যন্ত ১৩৪টি জাহাজের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ৪২টি জাহাজকে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে যেহেতু তাতে ত্রাণ সামগ্রী ছিল।
ভারত কী বলছে?
মার্কিন হামলার পর ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয় যে দূতাবাস ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করতে। ওই জাহাজে ২৪ জন ক্রু ছিলেন, সকলেই ভারতীয়। তাদের সকলকে সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার আগে মার্কিন রণতরী ও ওমানের জাহাজের মধ্যে কথা হয়েছিল বলেও জানানো হয়েছে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে।
