Anti Aging: মন বলছে যৌবনের তেজি ঘোড়া ছুটুক আজীবন? এই ব্যক্তির কেরামতিতে তাজ্জব গোটা বিশ্ব
Anti Aging: দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ধরণের মাটি আনিয়ে অ্যান্টি এজ থেরাপি করেন। এতদিন এভাবেই চলছিল। তো এবার ভদ্রলোক একলাফে কয়েক ধাপ এগোলেন। কোনও এক নির্জন দ্বীপে গিয়ে জিনের অদলবদল করলেন।

মহাভারতে যযাতি নামের এক রাজার কথা আপনাদের অনেকের মনে থাকতে পারে। সম্পর্কে অর্জুনের দূরসম্পর্কের ভাই, যযাতি একটাই কারণে বারবার আলোচনায় আসেন। যযাতি চেয়েছিলেন অনন্ত যৌবন। আর সেটাও যদি ভাগ্যে নাও জোটে, যতদিন বাঁচবেন, ততদিনই যৌবন ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। এমনকি ছেলের থেকে যৌবন ধার নিতেও তাঁর আপত্তি ছিল না। কিন্তু এখন তো একজনকে দেখে মহাভারতের সেই কাল্পনিক চরিত্রের কথা মনে পড়ে গেল। যাঁর কথা হচ্ছে, তিনি ইন্টারনেটের দুনিয়ায় তিনি বেশ পরিচিত মুখ। সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার। ভদ্রলোক একটা নামজাদা তথ্যপ্রযুক্তির সংস্থার মালিক। তাঁকে বলা যেতে পারে এযুগের যযাতি। যযাতির মতো ব্রায়ান জনসনও যৌবন ধরে রাখতে কোনও চেষ্টাই বাদ দেন না। ভেগান ডায়েটেও তাঁর ভরসা নেই। যৌবন বশে রাখতে নিজের মতো করে ডায়েট তৈরি করেছেন।
রসালো নয় এমন ফল আর নির্দিষ্ট কিছু সবজি সিদ্ধ করে খেলে নাকি যৌবন ধরে রাখা যায় বলেই দাবি তাঁর। ব্রায়ান ডায়েট ফলো করে দিন কাটান। দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ধরণের মাটি আনিয়ে অ্যান্টি এজ থেরাপি করেন। এতদিন এভাবেই চলছিল। তো এবার ভদ্রলোক একলাফে কয়েক ধাপ এগোলেন। কোনও এক নির্জন দ্বীপে গিয়ে জিনের অদলবদল করলেন। ব্রায়ান নিজে বলছেন, তিনি তিনি জিন থেরাপি করাননি, জিন এডিট করেছেন। মুখ ও পেটের উপরের অংশের জিন বাদ দিয়ে নতুন জিন ইনজেক্ট করেছেন। এতে নাকি ম্যাজিকের মতো কাজ হয়েছে। ব্রায়ানের বক্তব্য, গত ২০ বছরে এত কিছু ধরে যে ফল পেয়েছি, জিন এডিট করে তার চেয়ে অনেক বেশি ফল পেয়েছি। মনে হচ্ছে বয়সটা আরও ৫ বছর কমে গিয়েছে। তাই আসছে বছর আবার হবে। আরও বয়স কমবে।
প্রশান্ত মহাসাগরের কালো প্রশপেরা দ্বীপ। নির্জন এই দ্বীপে ৭ জনের টিমকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন ব্রায়ান। তাঁরাই এক মাস ধরে কাজকর্ম যা করার করেছে। বর্তমানে বিভিন্ন রোগের চিকিত্সাতেই জিন থেরাপির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। অ্যান্টি এজিং থেরাপির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন দেশে জিন থেরাপি করা হয়। কিন্তু জিন এডিটের বিষয়টা একেবারে আলাদা। আর বিষয়টা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বড় অংশের তেমন একটা ধারণা নেই। জিন এডিট থেরাপি করে কী যৌবন ধরে রাখা বা কমবয়সী দেখানো সম্ভব? প্রথমেই বলা ভাল, এই ধরণের থেরাপি যদি কিছু থেকেও থাকে, তা হলে কোনও দেশেই তাঁর কোনও স্বীকৃতি নেই। চিকিত্সকরা বলছেন, জিন বদল করে যৌবন ধরে রাখার এই প্রবণতা প্রাণঘাতীও হতে পারে। ট্রায়াল ও অনুমোদন ছাড়া কখনই এসব নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে যাওয়া উচিত নয়।
