Ayatollah Ali Khamenei Death: কেউ ফেলছে চোখের জল, কেউ ফাটাচ্ছে বাজি! খামেনেইয়ের মৃত্যুতে আনন্দ-দুঃখ মিলেমিশে একাকার…

Iran Supreme Leader's Death: ইরানের সর্বোচ্চ লিডার ছিলেন খামেনেই। তাঁর কথাতেই গোটা দেশ চলত। তবে খামেনেইয়ের মৃত্যু সংবাদ আসতেই গোটা দেশ দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। এক ভাগ শোকাহত। তারা কালো কাপড় পরে, খামেনেইয়ের ছবি নিয়ে, ইরানের পতাকা নিয়ে জমায়েত হয়ে শোক প্রকাশ করেছেন।

Ayatollah Ali Khamenei Death: কেউ ফেলছে চোখের জল, কেউ ফাটাচ্ছে বাজি! খামেনেইয়ের মৃত্যুতে আনন্দ-দুঃখ মিলেমিশে একাকার...
খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।Image Credit source: X

|

Mar 01, 2026 | 11:17 AM

তেহরান: ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ অভিযানে নিহত ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। ইরান সরকার খামেনেইয়ের মৃত্য়ু সংবাদ নিশ্চিত করেছে। ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪০ দিন ধরে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে ইরান জুড়ে। এদিকে, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই ইরানে দুই ধরনের চিত্র দেখা গিয়েছে। একদিকে শোকে ভাসছে দেশের সাধারণ মানুষ। সেখানেই আবার খামেনেইয়ের মৃত্যুতে আনন্দ-উল্লাস করতেও দেখা গিয়েছে। এমন মিশ্র প্রতিক্রিয়া কেন খামেনেইয়ের মৃত্যুতে?

ইরানের সর্বোচ্চ লিডার ছিলেন খামেনেই। তাঁর কথাতেই গোটা দেশ চলত। তবে খামেনেইয়ের মৃত্যু সংবাদ আসতেই গোটা দেশ দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। এক ভাগ শোকাহত। তারা কালো কাপড় পরে, খামেনেইয়ের ছবি নিয়ে, ইরানের পতাকা নিয়ে জমায়েত হয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। স্লোগান দিতে শোনা গিয়েছে “ডেথ টু আমেরিকা”, “ডেথ টু ইজরায়েল”। এমনকী, ইরানের এক সংবাদ পাঠক খামেনেইয়ের মৃত্যু সংবাদ পাঠ করতে গিয়ে কেঁদেও ফেলেন। ইরানের প্রতিবেশী দেশ ইরাকেও খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোক পালন করা হয়েছে। বাগদাদে শতাধিক মানুষ জমায়েত হন খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করতে।

সেখানেই আবার অনেকে প্রকাশ্যে উদযাপন করছেন খামেনেইয়ের মৃত্যু। কেউ বাজি ফাটিয়েছেন, কেউ কেউ আবার রাস্তায় নেমে উদযাপন করেছেন। অনেকেই স্লোগান দেন, “লং লিভ শাহ”।

একাধিক রাষ্ট্রেও ইরানের সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। যেমন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন যে আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোক পালন করা হবে না। অস্ট্রেলিয়ার  প্রধানমন্ত্রী বলেন যে ইরানে ব্যালেস্টিক মিসাইল, পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন করতেন, নিজেদের দেশের মানুষদের দমন-পীড়ন করতেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও সন্ত্রাসবাদী হামলা চলেছে। তাই ইরানের সুপ্রিম নেতার মৃত্যুতে শোক পালন করা হবে না।