
ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে গোপন অভিযান? এবার নিকেশ পুলওয়ামা হামলার (Pulwama Attack) অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Pakistan Occupied Kashmir) নিকেশ করা হয় হামজা বুরহান (Hamza Burhan)-কে। গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ডকে। তবে কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা জানা যায়নি।
২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনা কনভয়ে যে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল, যাতে ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান প্রাণ হারিয়েছিলেন, সেই হামলার অন্যতম চক্রী ছিলেন হামজা বুরহান।
জানা গিয়েছে, এ দিন পাকিস্তানের মুজাফ্ফরাবাদে হামজা বুরহানের উপরে হামলা চলে। তাঁকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় আততায়ীরা। প্রাণঘাতী হামলার দায় এখনও কেউ স্বীকার করেনি।
জঙ্গিদের কাছে হামজা ‘ডক্টর’ নামেই পরিচিত। তবে তাঁর আসল নাম আরজুমান্দ গুলজার দর। পুলওয়ামারই বাসিন্দা ছিল হামজা। ২০১৭ সালে উচ্চশিক্ষার অজুহাতে বুরহান পাকিস্তানে যায়। সেখানে গিয়ে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী আল-বাদর (Al-Badr)-এ যোগ দেয়। দীর্ঘদিন এই জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করতে করতে কম্যান্ডার পদ পায়। জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা চালায়। ২০২২ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁকে জঙ্গি হিসাবে ঘোষণা করে।
এর আগেও একাধিক পাক জঙ্গি, যারা ভারতে নানা সময়ে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়েছে, তাদের আততায়ীরা একে একে নিকেশ করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার লেথপোরা দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকা জইশ জঙ্গিরা বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি নিয়ে সিআরপিএফের কনভয়ে ঢুকে পড়ে এবং ধাক্কা মারে। এরপরই বিরাট বিস্ফোরণ হয় এবং কমপক্ষে ৪০ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়। এই হামলার জবাবে ভারতীয় বায়ুসেনা কয়েকদিন পরই পাকিস্তানের বালাকোটে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায় এবং পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়ে আসে।