US Attacks Iran Ship: ইরানের জাহাজে হামলা করে দখল নিল মার্কিন রণতরী, ড্রোন দিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও
Iran-US Naval Clash Escalates: ওমান উপকূলে প্রায় ১ হাজার ফুট লম্বা ইরানি জাহাজকে নিশানা করেছে মার্কিন নৌ বাহিনী। হরমুজ প্রণালীর কাছে জলপথ আটকে দাঁড়িয়েছিল মার্কিন রণতরী ইউএসএস স্প্রুরান্স (USS Spruance)। তা টপকিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেছিল ইরানের ওই কার্গো জাহাজ।

তেহরান: শান্তি চুক্তি নিয়ে আজ দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগেই বড়সড় হামলা আমেরিকার। সরাসরি ইরানের জাহাজে হামলা করল মার্কিন নৌসেনা (US Attacks Iran Ship)। জাহাজটিকে এবং তার নাবিকদের আটকে রেখেছে মার্কিন বাহিনী, এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।
জানা গিয়েছে, ওমান উপকূলে প্রায় ১ হাজার ফুট লম্বা ইরানি জাহাজকে নিশানা করেছে মার্কিন নৌ বাহিনী। হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) কাছে জলপথ আটকে দাঁড়িয়েছিল মার্কিন রণতরী ইউএসএস স্প্রুরান্স (USS Spruance)। তা টপকিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেছিল ইরানের ওই কার্গো জাহাজ। তখনই আমেরিকা হামলা করে। মার্কিন রণতরী থেকে ইরানের জাহাজে গাইডেড মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হামলায় ইরানের জাহাজের ইঞ্জিন রুমে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেই খবর।
U.S. forces operating in the Arabian Sea enforced naval blockade measures against an Iranian-flagged cargo vessel attempting to sail toward an Iranian port, April 19.
Guided-missile destroyer USS Spruance (DDG 111) intercepted M/V Touska as it transited the north Arabian Sea at… https://t.co/iyzOQd93C3 pic.twitter.com/HwU4XS48Oq
— DOW Rapid Response (@DOWResponse) April 19, 2026
জাহাজটিকে থামতে বললেও থামেনি, তাই হামলা করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের। হরমুজ অবরোধের পর, ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন সেনা এই প্রথম এত বড় হামলা করল। শেষ আপডেট অনুযায়ী, ইরানি জাহাজটির দখল নিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি। এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব। ট্রাম্পের পোস্টের পর ঘটনার ভিডিয়োও প্রকাশ করেছে মার্কিন সেনা।
এদিকে, মার্কিন নৌবাহিনীর এই হামলাকে ‘সশস্ত্র জলদস্যু’র হামলা বলেই উল্লেখ করেছে ইরান। এরপরই ইরান জানিয়েছে যে তারা ওমান সাগরে মার্কিন নৌসেনার জাহাজে ড্রোন হামলা করেছে। তবে ঠিক কোন কোন জায়গায় বা কোন রণতরীতে হামলা করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
