
ওয়াশিংটন: আকাশপথে অনেক লড়াই হল, এবার কি মাঠে নেমে যুদ্ধ করবে আমেরিকা-ইরান? যুদ্ধের এক মাস হয়ে গেল। শোনা যাচ্ছে, এবার পেন্টাগন আরও বড় পরিকল্পনা করছে। এবার তাদের প্ল্যান গ্রাউন্ড অপারেশনের। অর্থাৎ ইরানের মাটিতে নেমে সে দেশে অভিযান চালাবে আমেরিকা। কোথায় কোথায় অভিযান চালানো হবে, সেই পরিকল্পনাও তৈরি।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, পেন্টাগন ইরানে ঢুকে যে অভিযানের পরিকল্পনা করছে, তাতে মূল নিশানা দুটি জায়গা- হরমুজ প্রণালী ও খার্গ আইল্যান্ড। শোনা যাচ্ছে, হরমুজ প্রণালীর আশেপাশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলি দখল করতে পারে আমেরিকা। পাশাপাশি অভিযান চালানো হবে খার্গ আইল্যান্ডে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ অভিযান চালাতে পারে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনায় সম্মতি দেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
U.S. Sailors and Marines aboard USS Tripoli (LHA 7) arrived in the U.S. Central Command area of responsibility, March 27. The America-class amphibious assault ship serves as the flagship for the Tripoli Amphibious Ready Group / 31st Marine Expeditionary Unit composed of about… pic.twitter.com/JFWiPBbkd2
— U.S. Central Command (@CENTCOM) March 28, 2026
রিপোর্টে আরও দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন খার্গ আইল্যন্ড দখল করে নেওয়ার আলোচনা করছে। এই খার্গ আইল্যান্ড হল ইরানের সবথেকে বড় তেলের ভাণ্ডার। ইরানের ৯০ শতাংশ ক্রুড তেলের রফতানি এই দ্বীপ থেকেই হয়। এটিকে ইরানের ‘মুকুটের মণি’ও (Crown Jewel) বলা হয়। তাই এই জায়গা নিশানা করতে চায় আমেরিকা। অন্য়দিকে, হরমুজ প্রণালী খোলাতেই তার আশেপাশের উপকূলীয় দ্বীপগুলি দখল করতে পারে আমেরিকা।তবে এই অভিযান সহজ হবে না, কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে। ইরান যে এই অভিযানের প্রতিরোধ করবে, তাও স্পষ্ট।
শনিবারই আমেরিকা ঘোষণা করে যে ৩৫০০ মেরিন ও নৌসেনা মধ্য প্রাচ্যে পৌঁছে গিয়েছে। এটা বিগত ২০ বছরে মধ্য প্রাচ্যে সবথেকে বড় মার্কিন সেনার উপস্থিতি। অ্যাসাল্ট শিপ ইউএসএস ট্রিপলি-তে চেপে পৌঁছেছে তারা। এরপরে তাদের অভিযান কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।