Blue Sparrow Missile : খামেনেইকে খতম করতে মহাকাশ থেকে আছড়ে পড়েছিল ব্লু স্প্যারো, এই ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা জানেন?

Blue Sparrow Missile : জানা গিয়েছে, খামেনেইকে মারার জন্য ইজ়রায়েলর তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্লু স্প্যারো ব্যবহার করা হয়েছিল। ইজ়রায়েলের এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রকেই অনেকে যমদূতের সঙ্গে তুলনা করছেন। কিন্তু, কী এই ব্লু স্প্যারো? কী কী ক্ষমতা রয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্রের, জেনে নিন...

Blue Sparrow Missile : খামেনেইকে খতম করতে মহাকাশ থেকে আছড়ে পড়েছিল ব্লু স্প্যারো, এই ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা জানেন?
ব্লু স্প্যারো মিসাইলImage Credit source: x

Mar 07, 2026 | 4:24 PM

তেহরান : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর আগে ধেয়ে এসেছিল ‘যমদূত’? যার আঘাতে ছিনভিন্ন হয়ে গিয়েছিল খামেনেইয়ের দেহ। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নবম দিনে প্রবেশ করলেও খামেনেইয়ের মৃত্যুর রহস্য নিয়ে এখনও কাঁটাছেড়া চলছে। জানা গিয়েছে, খামেনেইকে মারার জন্য ইজ়রায়েল তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্লু স্প্যারো ব্যবহার করেছিল। ইজ়রায়েলের এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রকেই অনেকে যমদূতের সঙ্গে তুলনা করছেন। কিন্তু, কী এই ব্লু স্প্যারো? কত ক্ষমতা এই ক্ষেপণাস্ত্রের ?

ইজ়রায়েলের স্প্যারো ফ্যামিলি

ইজ়রায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডারে তিনটি স্প্যারো মিসাইল রয়েছে। ব্লু, ব্ল্যাক ও সিলভার স্প্যারো মিসাইল। তিনটেই শক্তিশালী ব্যালিস্টিক মিসাইল। তবে, খামেনেইকে হত্যার জন্য ইজ়রায়েল ব্লু স্প্যারো মিসাইল ব্যবহার করেছিল।

কীভাবে কাজ করে ব্লু স্প্যারো?

একটা বলকে যে গতিতে আকাশের দিকে ছুড়ে দেওয়া হয়, অভিকর্ষের টানে সেই গতিতেই আবার তা নিচে এসে পড়ে। ইজ়রায়েলের ব্লু স্প্যারো মিসাইলও খানিকটা সেরকমই। ব্লু-স্প্যারো মূলত এয়ার-লঞ্চড মিসাইল বা বলা ভালো অ্যাডভান্স এয়ার টু ল্যান্ড মিসাইল। এটি নিক্ষেপের পরই মহাকাশের একেবারে শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়,তারপর ভয়ঙ্কর গতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে আছড়ে পড়ে। খামেনেইকে হত্যার সময়ও ঠিক একইভাবে আছড়ে পড়েছিল ব্লু স্প্যারো মিসাইল। বায়ুমণ্ডলের শেষ প্রান্ত ছুঁয়ে অভিকর্ষের টানে ও জ্বালানির শক্তিতে মাটিতে আছড়ে পড়ে। এর গতি এতটাই বেশি থাকে যে রোখা যায় না। মুহূর্তেই সব ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে ব্লু স্প্যারো মিসাইল।

ব্লু স্প্যারোর ক্ষমতা

রাফায়েলের অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, ব্লু স্প্যারোর দৈর্ঘ্য ৬.৫১ মিটার। ওজন ১৯০০ কেজি। মিসাইলটির পাল্লা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার। এটি মূলত একক-স্তরীয় রকেট প্রপেলান্ট ব্যবহার করে এবং জিপিএস ও আইএনএস নেভিগেশন সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়। অন্যদিকে, ব্ল্যাক স্প্যারো ও সিলভার স্প্যারোর ক্ষমতা আলাদা। অর্থাৎ তিনটি স্প্যারোর পাল্লা আলাদা আলাদা।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে কীভাবে ব্লু স্প্যারো ব্যবহার করা হয়েছিল?

২৮ ফেব্রুয়ারি। সকালের দিকে আয়াতোল্লা আলি খামেনেই তখন একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। ঠিক সেই সময়ই এই ব্লু স্প্যারো নিক্ষেপ করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ব্লু স্প্যারো-সহ ৩০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তারপরই দেখা যায়, সুপ্রিম লিডারের বাসভবন-সহ তেহরানের একাধিক জায়গা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দে মুহুর্মুহু কেঁপে ওঠে এলাকা। সেই ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকের মৃত্যু হয়।